• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 21 July, 2026

সীমান্তে নজরদারি জোরদার করতে কমিশনের বিশেষ বৈঠক

নির্বাচন কমিশনের বার্তা স্পষ্ট—গণতন্ত্রের এই উৎসবে যেন কোনও রকম ভয়, হিংসা বা প্রলোভনের ছায়া না পড়ে

সীমান্তে নজরদারি জোরদার করতে কমিশনের বিশেষ বৈঠক

আসন্ন সাধারণ নির্বাচনকে সামনে রেখে প্রস্তুতি আরও জোরদার করল নির্বাচন কমিশন। মঙ্গলবার এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে আন্তঃরাজ্য সমন্বয়, আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং অবৈধ অর্থ ও সামগ্রী রুখতে কড়া নির্দেশ দিল কমিশন। লক্ষ্য একটাই—ভোট হোক সম্পূর্ণ শান্তিপূর্ণ, ভয়মুক্ত ও প্রলোভনমুক্ত।

এই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার  এসএস সন্ধু ও বিবেক যোশী। পাশাপাশি অংশ নেন ভোট হতে চলা পাঁচ রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল—অসম, কেরল, পুদুচেরি, তামিলনাড়ু ও পশ্চিমবঙ্গের শীর্ষ প্রশাসনিক আধিকারিকরা। তাঁদের সঙ্গে ছিলেন প্রতিবেশী ১২টি রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের প্রতিনিধিরাও।
বৈঠকে বিশেষভাবে গুরুত্ব পায় সীমান্তবর্তী জেলার নিরাপত্তা ও নজরদারি।
 কমিশনের তরফে স্পষ্ট নির্দেশ, ভোটের আগে সীমান্ত এলাকায় কড়া নজরদারি চালাতে হবে এবং প্রয়োজনে সিল করে দিতে হবে সীমান্ত। যাতে কোনও ভাবেই বাইরের প্রভাব বা অবৈধ লেনদেন ভোটকে প্রভাবিত করতে না পারে।
পাশাপাশি, অবৈধ নগদ অর্থ, মদ, মাদক ও অস্ত্র পাচার রুখতে কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলিকে আরও সক্রিয় হতে বলা হয়েছে।
আয়কর দপ্তর, নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো, ডিআরআই-সহ বিভিন্ন সংস্থাকে ‘অ্যাকশনেবল ইন্টেলিজেন্স’-এর ভিত্তিতে দ্রুত পদক্ষেপ নেওয়ার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন। আন্তঃরাজ্য চেকপোস্টগুলিতেও নজরদারি বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে।
বৈঠকে অংশ নেওয়া রাজ্যগুলির তরফে জানানো হয়েছে, ভোটকে সামনে রেখে প্রস্তুতি প্রায় সম্পূর্ণ। তবে কোথাও কোথাও আইন-শৃঙ্খলা সংক্রান্ত চ্যালেঞ্জ ও খরচ সংক্রান্ত নজরদারির বিষয়গুলি তুলে ধরা হয়েছে। সেই সব বিষয় দ্রুত মেটানোর আশ্বাস দিয়েছে কমিশন। নির্বাচন কমিশনের বার্তা স্পষ্ট—গণতন্ত্রের এই উৎসবে যেন কোনও রকম ভয়, হিংসা বা প্রলোভনের ছায়া না পড়ে। তার জন্য কেন্দ্র ও রাজ্য—সব স্তরেই সমন্বয় বাড়িয়ে কঠোর নজরদারি চালানোর উপরেই জোর দিচ্ছে কমিশন।