সকাল গড়াতেই নন্দীগ্রাম বিধানসভা কেন্দ্রের বিভিন্ন বুথে ভোটারদের লাইন পড়তে শুরু করেছে। ২১০ নম্বর নন্দীগ্রাম কেন্দ্রের ৭৯ নম্বর বুথ, নন্দনায়ক বার প্রাথমিক বিদ্যালয়েও সকাল থেকেই দেখা যায় উৎসাহী ভোটারদের উপস্থিতি। সেখানেই ভোট দেন বিজেপি নেতা শুভেন্দু অধিকারী।
ভোটদান পর্ব মিটিয়ে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে আত্মবিশ্বাসী শুভেন্দু বলেন, “২০২১ সালের তুলনায় এ বছর আমার ফল আরও ভালো হবে।” মুসলিম ভোট নিয়েও বড় দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, “গতবার আমি প্রায় ৪০০ মুসলিম ভোট পেয়েছিলাম, এবার তা ৪০০০ ছাড়াবে।” বিজেপি শাসিত রাজ্যগুলিতে কর্মরত মুসলিম যুবকদের প্রসঙ্গ টেনে তিনি দাবি করেন, তাঁদের অনেকেই নিজেদের রাজ্যে ফিরে বিকল্প হিসেবে বিজেপিকেই সমর্থন করবেন।
Advertisement
নির্বাচন প্রক্রিয়া নিয়ে কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকায় সন্তোষ প্রকাশ করে শুভেন্দু জানান, “এবার কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনী যথেষ্ট সক্রিয়। কোথাও বড় সমস্যা হবে বলে মনে হয় না।”
Advertisement
তবে ভোটের দিনেই অভিযোগও তুলেছেন তিনি। বিজেপি নেতার দাবি, ব্রজমোহন তেওয়ারি শিক্ষানিকেতনের একটি বুথে দায়িত্বে থাকা এক বুথ লেভেল অফিসার (বিএলও) মোবাইল ফোন ব্যবহার করে ভোটারদের তৃণমূলের পক্ষে প্রভাবিত করার চেষ্টা করছিলেন। ঘটনাস্থলে গিয়ে তিনি ওই বিএলও-কে মোবাইল ব্যবহার না করতে এবং ভোটারদের প্রভাবিত না করার পরামর্শ দেন বলেও জানান।
ভোট শুরুর প্রথম কয়েক ঘণ্টায় নন্দীগ্রামে পরিস্থিতি মোটের উপর শান্তিপূর্ণ বলেই প্রশাসনিক সূত্রের দাবি। তবে রাজনৈতিক চাপানউতোর ও অভিযোগের আবহে দিনভর পরিস্থিতির উপর কড়া নজর রাখছে কমিশন।
Advertisement



