• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 8 July, 2026

‘রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পগুলির সুবিধা নেওয়ার জন্য এগিয়ে আসুন’

রাজেশ মাহাতো পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন এবং মৎস্য দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী

‘রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্পগুলির সুবিধা নেওয়ার জন্য এগিয়ে আসুন’

Pic Source-SNS

রাজেশ মাহাতো পশ্চিমবঙ্গের রাজ্য সরকারের প্রাণীসম্পদ উন্নয়ন এবং মৎস্য দপ্তরের স্বাধীন দায়িত্বপ্রাপ্ত প্রতিমন্ত্রী এবং গোপীবল্লভপুর এর বিধায়ক। দৈনিক স্টেটসম্যানের সঙ্গে সাক্ষাৎকারে তিনি জানান মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর নেতৃত্বে ভালো করে কাজ করতে চান তিনি। দল তার উপর বিশ্বাস রেখেছে, ভরসা রেখেছে। এইটা তার জীবনে অনেক বড় পাওয়া। কেন্দ্রের প্রকল্পগুলো এইবার বঙ্গের মানুষের কাছেও পৌঁছে যাবে। তার দপ্তর আধিকারিকরা স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোকে উদ্যোগী হতে সাহায্য করছে এবং ডাবল ইঞ্জিন সরকারের জন্য এই কাজ আরো সহজ হচ্ছে।
প্রশ্ন – দুটি গুরুত্বপূর্ণ দফতরের দায়িত্ব। সামলাচ্ছেন কিভাবে?
উত্তর – মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী নেতৃত্বে এবং ভরসায় কোন অসুবিধা হচ্ছে না। দুটি দপ্তরকে ঢেলে সাজানো হচ্ছে। আগাম বেশ কিছু পরিকল্পনা আছে। ইতিমধ্যে দফতর অনেকগুলো পদক্ষেপ নিয়েছে। মাছ চাষ থেকে শুরু করে, ডিম উৎপাদন বৃদ্ধি যাতে আরও বেশি হয়। ডিমের একটা ঘাটতি রয়েছে রাজ্যে তার জন্য স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলোকে রাজ্য সরকার উৎসাহিত করছে। গ্রামীণ অর্থনীতিকে চাঙ্গা করাই আমাদের মূল লক্ষ্য।
প্রশ্ন – গ্রামীণ অর্থনীতি চাঙ্গা করাই মূল লক্ষ্য বললেন। ডাবল ইঞ্জিন সরকার বঙ্গে। কেন্দ্রীয় সরকারী প্রকল্পগুলির সঙ্গে মেলবন্ধন করে কিভাবে লক্ষ্যকে বাস্তবায়িত করবেন?
উত্তর – এতদিন রাজ্যের মানুষ কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। এবার কেন্দ্রীয় সরকারি যে যোজনা গুলো রয়েছে তার মাধ্যমে পশু পালন থেকে শুরু করে ডিম উৎপাদন যারা করেন, তাদের আর্থিকভাবেও সহায়তা করা হবে। কারণ মুরগির খাবারের দাম বেড়েছে। এতদিন অনেক বঞ্চনা হয়েছে, আর নয়। আর্থিকভাবে সাহায্য পেলে অনেকেই আরও বেশি করে চাইবেন স্বনির্ভর হতে।
প্রশ্ন- রাজ্যে ডিমের ঘাটতি আছে। অন্ধ্রপ্রদেশ থেকে ডিম আসে বঙ্গে ডিমের ঘাটতি পূরণের জন্য। আলাদা করে কিছু ভেবেছেন?
উত্তর – আরও বেশি করে ফার্ম তৈরি করা হবে। ডিম উৎপাদনে পশ্চিমবঙ্গ যাতে দেশের শীর্ষে যায় সেই ব্যবস্থা করা হচ্ছে। যারা স্বাধীনভাবে ব্যবসা করতে যান তারাও যাতে সরকারি সুযোগ-সুবিধা পান সেই পরিকল্পনা তৈরি হচ্ছে। এখনো অনেক প্ল্যান বাকি রয়েছে।
প্রশ্ন- মাছ চাষের সঙ্গে যারা যুক্ত তাদের জন্য কিছু ভেবেছেন?
উত্তর – মৎস্য চাষে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করা হবে। আরও বৃদ্ধি পাবে মাছ চাষ। যারা বিশেষজ্ঞ রয়েছেন তাদের পরামর্শ নেওয়া হচ্ছে। ছোট ব্যবসায়ীদের আর্থিকভাবে সহায়তা করা হচ্ছে।
প্রশ্ন – নিজের এলাকার উন্নয়নের জন্য কি ভেবেছেন?
উত্তর – স্বনির্ভর হওয়ার জন্য নিজেদের এগিয়ে আসতে হয়। আমার এলাকা বলে নয় এটা আমি প্রত্যেকটি শিক্ষিত বেকার এখনো যারা রয়েছেন তাদের বলছি। রাজ্য ও কেন্দ্রীয় সরকারি প্রকল্প গুলোর সুবিধা নেওয়ার জন্য এগিয়ে আসুন। ছোট ব্যবসা করুন। ডাবল ইঞ্জিন সরকার। সাহায্য পাবেনই।
প্রশ্ন – কুর্মী আন্দোলনের অন্যতম মুখ ছিলেন আপনি। আপনাকে তো গ্রেফতার করা হয়েছিল।
উত্তর – মন্ত্রীর টেবিলে বসে আছি। এই বিষয়ে খুব বেশি কিছু বলতে চাই না। বিনা দোষে মিথ্যে মামলা দেওয়া হয়েছিল। জঙ্গলমহলের মানুষকে অত্যাচার করেছিল এই মমতা ব্যানার্জির সরকার। দেখতেই পাচ্ছেন ফলস্বরূপ সরকারটাই বদলে গেছে। আগের মুখ্যমন্ত্রীর প্রতি সম্মান রেখেই বলছি আমি নিজেই নিজেকে বুঝিয়েছিলাম শের বানকে ফির আউঙ্গা, জবাব যেন তৈরি থাকে। আর আমার কাজই তার জবাব