• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 27 September, 2026

উপনির্বাচনের প্রাক্কালে সরগরম নন্দীগ্রাম, তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের অভিযান

তাছাড়া এই তৃণমূলের নেতারা এলাকায় টাকা ছড়াচ্ছেন এমন অভিযোগও পুলিশ পেয়েছে। তাই হাতে থাকা তথ্য সরেজমিনে যাচাই করতেই

উপনির্বাচনের প্রাক্কালে সরগরম নন্দীগ্রাম, তৃণমূল নেতার বাড়িতে পুলিশের অভিযান

Nandigram Police Operation Photo-SNS

সামনেই রাজ্যের দুই বিধানসভার উপনির্বাচন। আগামী ৬ অক্টোবর রেজিনগর এবং নন্দীগ্রামে উপনির্বাচন রয়েছে। তার আগে এই দুই বিধানসভা কেন্দ্রেই নানা ঘটনা ঘটতে শুরু করেছে। বিশেষ করে নন্দীগ্রামে তৃণমূল প্রার্থীর সরে যাওয়া, কংগ্রেসকে সমর্থন করতেই কংগ্রেস প্রার্থীর গ্রেপ্তার হওয়া-সহ নানা ঘটনা ঘটেছে। শুধু তাই নয়, এই গ্রেপ্তারকে নিয়ে কলকাতা হাইকোর্টে মামলা পর্যন্ত হয়েছে। এবার এই উপনির্বাচনের প্রাক্কালেই নন্দীগ্রামে তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান, শেখ সাহাবুদ্দিনের বাড়িতে রবিবার তল্লাশি চালাল পুলিশ। এই ঘটনা নিয়ে সরগরম হয়ে উঠেছে নন্দীগ্রাম।

রবিবার বেলা ১২টা নাগাদ নন্দীগ্রামের দাপুটে তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ানের জাহাজ বাড়িতে অভিযান চালায় পুলিশ। তাতে ছুটির দিনে পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রামে জোর আলোড়ন পড়ে যায়। এখানেই শেষ নয়, জাহাজ বাড়ির পর কেন্দামারি-জালপাই গ্রাম পঞ্চায়েতের অধীন সাহাবুদ্দিনের বাড়িতে পৌঁছয় পুলিশ। সেখানেও একপ্রস্থ জিজ্ঞাসাবাদ এবং তল্লাশি অভিযান চলে বলে খবর। কিন্তু কেন হঠাৎ এমন তৎপরতা? এই প্রশ্নের উত্তর সেভাবে দেয়নি পুলিশ।

স্থানীয় সূত্রে খবর, ২০০৭ সালে জমি আন্দোলন যখন চলছিল তখন খুনের মামলায় গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি থাকায় এখন জেলবন্দি কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধান। একই মামলায় তৃণমূল নেতা শেখ সুফিয়ান, শেখ সাহাবুদ্দিনদের বাড়িতে হানা দিল পুলিশ। তল্লাশির সময় অবশ্য কেউই বাড়িতে ছিলেন না। কিন্তু তাঁরা না থাকলেও তল্লাশি অভিযান চলেছে। পুলিশ কিছু নথি খুঁজছে। সেসব হাতে পেতেই এই তল্লাশি অভিযান বলে সূত্রের খবর। শেখ সুফিয়ান এদিন চিকিৎসার জন্য বাইরে গিয়েছেন। এই তথ্যই দিয়েছেন, সুফিয়ানের জামাই তথা মহম্মদপুরের প্রাক্তন পঞ্চায়েত প্রধান শেখ হাবিবুল। ফলত রবিবার সকাল থেকেই টানটান উত্তেজনা ছিল নন্দীগ্রামে।

তাছাড়া এই তৃণমূলের নেতারা এলাকায় টাকা ছড়াচ্ছেন এমন অভিযোগও পুলিশ পেয়েছে। তাই হাতে থাকা তথ্য সরেজমিনে যাচাই করতেই পুলিশের আগমন ঘটে। নন্দীগ্রাম ভূমি উচ্ছেদ প্রতিরোধ কমিটির নেতা ছিলেন শেখ সুফিয়ান, শেখ সাহাবুদ্দিন, মিলন প্রধানরা। তাঁদের বিরুদ্ধে নানা ধরণের একগাদা মামলা দায়ের হয়। ওই মামলায় মিলন প্রধান জেলবন্দি। পুলিশ শেখ সুফিয়ান, শেখ সাহাবুদ্দিনদের খোঁজেই তাঁদের বাড়িতে হানা দিয়েছিল। যদিও কারও খোঁজ মেলেনি। নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থীর হয়ে প্রচার শুরু হয়েছে। সেই প্রচারে দেখা গিয়েছে এই তৃণমূল নেতাদের। এরপর জল কোনদিকে গড়ায় সেটাই এখন দেখার।