• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 14 June, 2026

জগদ্দলে তৃণমূল এবং বিজেপি সংঘর্ষে পলাতকদের গ্রেপ্তার করার নির্দেশ পুলিশকে

রবিবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ জগদ্দলে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়

উত্তর ২৪ পরগনার জগদ্দল এলাকায় সাম্প্রতিক অশান্তির ঘটনাকে কেন্দ্র করে কড়া পদক্ষেপের নির্দেশ দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। ঘটনায় জড়িত পলাতক অভিযুক্তদের দ্রুত গ্রেপ্তার করার জন্য পুলিশকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, পাশাপাশি এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখার ওপরও জোর দেওয়া হয়েছে।

রবিবার রাত প্রায় ১১টা নাগাদ জগদ্দলে তৃণমূল কংগ্রেস এবং বিজেপি প্রার্থীদের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছয়। অভিযোগ, এই সময় বোমাবাজি, গুলিচালনা এবং ইট-পাটকেল নিক্ষেপের মতো সহিংস ঘটনা ঘটে। এতে কেন্দ্রীয় বাহিনীর এক জওয়ান গুরুতরভাবে আহত হন।

কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে, ওই রাতে বিজেপি প্রার্থী থানায় এফআইআর দায়ের করতে গেলে তৃণমূলের প্রায় ২০০ সমর্থক সেখানে উপস্থিত হয়ে উত্তেজনা সৃষ্টি করেন। পরে তৃণমূল প্রার্থীও সেখানে পৌঁছালে পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে ওঠে। থানার সামনেই দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে।

পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও ব্যারাকপুর পুলিশ কমিশনারেটের বিশাল বাহিনী মোতায়েন করা হয়। ইতিমধ্যেই চার জন—কৌশিক দাস, সিকন্দর প্রসাদ, গোপাল রাউত এবং শ্যামদেব সাউ—গ্রেফতার হয়েছেন। তবে এখনও কয়েক জন অভিযুক্ত পলাতক রয়েছেন, যাদের দ্রুত খুঁজে বের করার নির্দেশ দিয়েছে কমিশন।

ঘটনার সূত্রপাত হয় জগদ্দলের আটচলা বাগান এলাকায়। সন্ধ্যায় দুই দলের সংঘর্ষের খবর পেয়ে কেন্দ্রীয় বাহিনী ও র‍্যাফ ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। বিজেপির অভিযোগ, থানায় অভিযোগ জানাতে গেলে তাদের উপর হামলা চালানো হয়। অন্যদিকে তৃণমূলের দাবি, তাদের এক কর্মীকে মারধর করা হয় এবং অভিযোগ জানাতে গেলে বিজেপি সমর্থকেরাই আক্রমণ করে। স্থানীয় বাসিন্দাদের মতে, দুই পক্ষের মধ্যে ব্যাপক ইটবৃষ্টি শুরু হয়, পরিস্থিতি সামাল দিতে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়। বর্তমানে এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন রয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রাখার চেষ্টা চলছে।