• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 9 June, 2026

বার্ধক্য এবং বিধবা ভাতা এবার দেওয়া হবে, বড় খবর দিলেন দিলীপ ঘোষ

বার্ধক্য এবং বিধবা ভাতা নিয়ে আলাদা করে খোলাখুলিভাবে এতদিন প্রকাশ্যে কিছু বলতে শোনা যায়নি নতুন সরকারের কোনও মন্ত্রীকে

রাজ্যে পালাবদলের পর মহিলারা ৩ হাজার টাকা করে অন্নপূর্ণা যোজনা পাচ্ছেন। এবার মউ চুক্তি স্বাক্ষর হওয়ার পর আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প চালু হয়ে গিয়েছে বঙ্গে। মঙ্গলবার থেকে চালু হয়েছে ১০০ দিনের কাজও। কিন্তু বার্ধক্য ভাতা এবং বিধবা ভাতা কবে মিলবে? এই প্রশ্ন এখন সকলের মনে ঘুরপাক খাচ্ছে। তবে চিন্তার যে কোনও কারণ নেই সেটা এবার স্পষ্টভাষায় জানিয়ে দিলেন রাজ্যের পঞ্চায়েত মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। একইসঙ্গে দিলেন বড় খবরও।

এদিকে বহু প্রবীণ নাগরিক আছেন যাঁরা এই বার্ধক্য ভাতার উপর অনেকটা নির্ভরশীল। আগের সরকারের আমলে পেতেন। এমনকী রাজ্যের বিধবারাও ভাতা পেতেন। সেগুলি কবে মিলবে? তা সকলেই জানতে চান। এবার বার্ধক্য এবং বিধবা ভাতা নিয়ে বড় আপডেট দিল রাজ্যের নতুন সরকার। রাজ্যের পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ বলেন, ‘শীঘ্রই বার্ধক্য এবং বিধবা ভাতা দেওয়া শুরু হবে। যুবকদের যে ভাতা দেওয়ার কথা ছিল সেটাও শুরু হবে। তার জন্য সমীক্ষা চলছে।’

অন্যদিকে পশ্চিমবঙ্গে ক্ষমতায় আসার পর মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী পরিষ্কার করে জানিয়ে ছিলেন, আগে যেসব প্রকল্প চালু ছিল সেগুলির একটিও বন্ধ হবে না। সব চালু থাকবে। এবার সেটারই প্রমাণ মিলল দিলীপ ঘোষের কথায়। বার্ধক্য এবং বিধবা ভাতা নিয়ে আলাদা করে খোলাখুলিভাবে এতদিন প্রকাশ্যে কিছু বলতে শোনা যায়নি নতুন সরকারের কোনও মন্ত্রীকে। দিলীপ ঘোষই প্রথম বিষয়টি নিয়ে মুখ খুললেন। আর তাতে এখন বিধবা এবং প্রবীণ নাগরিকরা নিশ্চিন্তবোধ করছেন।

তাছাড়া মঙ্গলবার উলুবেড়িয়া ২ নম্বর ব্লকের জোয়াড়গড়ি গ্রামে ১০০ দিনের কাজের সূচনা করেন পঞ্চায়েতমন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। তখনই মন্ত্রী বলেন, ‘আগের সরকারের আমলে নিজের লোকেদের সুবিধা পাইয়ে দেওয়া হতো। সাড়ে তিন হাজার পুরুষের অ্যাকাউন্টে লক্ষ্মীর ভাণ্ডারের টাকা যেত। এটা আমরা করতে দেব না। যাঁরা পাওয়ার যোগ্য, তাঁরা পাবে। কোনও বিদেশি এই সুবিধা পাবে না। যাঁরা অযোগ্য, তাঁরা বাদ যাবেন। সরকার যেটা বলেছে, সেটা করবে। প্রথম মাস থেকে কাজ শুরু হয়েছে। আপনারা আগামী দিনে চোখের সামনে পরিবর্তন দেখতে পাবেন। আপনারা সবাই নিয়ম মেনে চলুন। রাজ্য সরকারকে সাহায্য করুন। যাতে আমরা মানুষকে ঠিকঠাক পরিষেবা দিতে পারি।’