এসআইআর শুনানিতে ডাক পেলেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। রবিবার অর্থাৎ আজ দুপুর দুটোয় তাঁকে হাজিরা দিতে বলা হয়েছে। ২০০২ সালের ভোটার তালিকায় নাম রয়েছে মন্ত্রীর। এনুমারেশন ফর্মেও প্রয়োজনীয় সব তথ্য দিয়েছেন। তার পরেও শুনানিতে ডাক পেয়েছেন তিনি। ডাক পেয়ে যথারীতি বিরক্ত মন্ত্রী। শশী পাঁজা জানিয়েছেন, লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি নয়। অ্যাপের ভুলের জন্য তাঁর নাম ২০০২-এর তালিকায় দেখাচ্ছে না। তিনি বলেন আমি অবাক। অন্যদিকে শুনানিতে ডাক পেয়েছেন তৃণমূলের আইটি সেলের নেতা দেবাংশু ভট্টাচার্য।
২৭ অক্টোবর থেকে বাংলা সহ একাধিক রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে শুরু হয়েছে বিশেষ নিবিড় সংশোধন প্রক্রিয়া। বাড়ি বাড়ি এনুমারেশন ফর্ম বিলি ও পূরণ করে জমা দেওয়ার পর্ব শেষ হয়ে গেছে। দ্বিতীয় ধাপে চলছে শুনানি পর্ব। লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সি, ম্যাপিংয়ে সমস্যা-সহ একাধিক কারণে বহু ভোটারকে শুনানিতে তলব করা হচ্ছে। নোবেলজয়ী অর্থনীতিবিদ অমর্ত্য সেন, জয় গোস্বামী, দেব-সহ বহু বিখ্যাত মানুষ এসআইআরের শুনানিতে ডাক পেয়েছেন। এবার সেই তালিকায় যোগ হল রাজ্যর মন্ত্রী তথা বিধায়ক শশী পাঁজার নাম। রবিবার দুপুর ২ টোয় তাঁকে কেশব অ্যাকাডেমিতে হাজিরার ডাক পেয়েছেন মন্ত্রী।
Advertisement
শুনানিতে হাজিরার ডাক পেয়ে শশী পাঁজা জানিয়েছেন, ‘আমি ২৬ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা। আমার ২০০২ তে নাম আছে। কমিশন হুড়োহুড়ি করে কাজ করছে। ফলে বিএলওদের অ্যাপ, সফটওয়্যার সবেতেই ভুল ভ্রান্তি রয়েছে। ২০০২-এর তালিকায় আমার থাকলেও অ্যাপে নেই। তাঁরা হয়তো ভেবেছেন আলাদাভাবে এসে জিনিসটা করে দেবেন আমার ক্ষেত্রে। আমি বলেছি আর পাঁচজন সাধারণ মানুষের মতোই আমি গিয়ে হাজিরা দেব।‘ তিনি আরও বলেন, ‘এটা আশ্চর্যজনক। আমি অবাক হয়েছি। আমার যখন ডাক পড়েছে, সাধারণ মানুষের তো…। এটা হাস্যকর।‘
Advertisement
অন্যদিকে দেবাংশু ভট্টাচার্য এদিন ফেসবুক পোস্টে জানিয়েছেন তিনিও শুনানিতে ডাক পেয়েছেন। এবিষয়ে দেবাংশু জানান, তিনি নোটিস এখনও হাতে পাননি। ২০০২ সাল থেকে সব কার্ডে ওর পরিবারের সবার নামের বানান এক, মিডল নেমও আলাদা কিছু নেই। ফলে লজিক্যাল ডিসক্রিপেন্সিতে ডাকার প্রশ্ন নেই। কেন ডেকেছে নোটিস হাতে পেলে বুঝবেন।
Advertisement



