রাজ্যে সরকারের পরিবর্তন ঘটার পর থেকে রাজ্যজুড়ে গ্রাম পঞ্চায়েত, পঞ্চায়েত সমিতি, জেলা পরিষদ, পৌরসভা হাত ছাড়া হচ্ছে তৃণমূলের। নাগরিক পরিষেবায় আস্তা রাখছেন বিজেপির উপর। এবার রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী খাসতালুক নন্দীগ্রামে গ্রাম পঞ্চায়েত হাতছাড়া হলো তৃণমূলের। ২০২৩ সালে পঞ্চায়েত নির্বাচনে নন্দীগ্রাম-১ ব্লকের কেন্দ্যেমারি গ্রাম পঞ্চায়েতের ২২ টি আসনের মধ্যে তৃণমূল পায় ১৩ টি এবং নির্দল ( অঘোষিত বিজেপি) পায় ৯টি। বাংলায় বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান, উপপ্রধান সহ বেশকিছু সদস্য ইস্তফা দেন। পঞ্চায়েত নিয়ম মেনে মঙ্গলবার গ্রাম পঞ্চায়েত প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচিত হয়। এদিন ১৯ জন সদস্যের উপস্থিতিতে তাদের সম্মতিতে প্রধানের দায়িত্ব পান আভারানী বেরা এবং উপপ্রধান খাজেদা বিবি। গ্রাম পঞ্চায়েত উন্নয়েনের স্বার্থে সমস্ত সদস্যরা প্রধান ও উপপ্রধান মান্যতাদেন।
নব নির্বাচিত প্রধান আভারানী বেরা জানান, ” এলাকার উন্নয়নের জন্য রাজ্যের বর্তমান সরকার বিজেপির সাথে হাত মিলিয়ে কাজ শুরু করেছি। আগামীদিনে গ্রাম পঞ্চায়েত সকল সদস্যদের নিয়ে এলাকার উন্নয়ন করাই আমার মূল লক্ষ্য”।
বিজেপির মন্ডল -১ এর সভাপতি ধনঞ্জয় ঘড়া জানান, ” তৃণমলের প্রধান, উপপ্রধান সহ সদস্যরা গ্রাম পঞ্চায়েতে না আসায় উন্নয়নের কাজ থমকে গিয়েছিলো। পঞ্চায়েত নিয়ম মেনে নতুন প্রধান ও উপপ্রধান নির্বাচন হলো। তাঁরা আমাদের সাথে থেকে এলাকার উন্নয়ন করতে চান৷ আমরাও তাদের পাশে থেকে সাহায্য করবো”।




