অভিন্ন কায়দায় চিকিৎসক দম্পতির ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে গায়েব ২১ লক্ষ টাকা। কোন ফোন বা এসএমএস নয়, চেক ও সই জালে করেই দম্পতির অ্যাকাউন্ট থেকে তিন ক্ষেপে ২১ লক্ষ টাকা গায়েব হয়ে যায়।
যদিও পুলিশে অভিযােগ দায়ের ২৪ ঘন্টার মধ্যেই টাকা ফেরত পান দম্পতি। এই ঘটনায় পুলিশ দু’জনকে গ্রেফতারও করেছে। চাঞ্চল্যকর এই ঘটনাটি ঘটেছে উত্তর ২৪ পরগনার খড়দহ থানা এলকার সােদপুরে।
কমিশনারেটে সুত্রের খবর, চলতি মাসের ৮ তারিখ এক চিকিৎসক দম্পতি ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্ট থেকে ২১ লক্ষ টাকা গায়েব হওয়ার অভিযােগ জানায়। সেই ঘটনার তদন্তে নেমে ওড়িশার সম্বলপুর থেকে হরিশ বেহেরা ও ঋষি প্রতাপ সিং নামে দুই অভিযুক্তকে পুলিশ গ্রেফতার করে।
খড়দহ থানার পুলিশ সূত্রের খবর, গত মাসের ২৮ তারিখ সােদপুরের বাসিন্দা। চিকিৎসক অপর্ণা হাজরার মােবাইলের সিম কার্ড ব্লক হওয়ার ম্যাসেজ আসে। এরপর ৬ অক্টোবর একই ম্যাসেজ পান তার স্বামী শ্যামল হাজরা। রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের তরফে ইমেলে দেখা যায় অপর্নাদেবীর অ্যাকাউন্ট থেকে ১৩,৫ লক্ষ টাকা এবং তার স্বামীর অ্যাকাউন্ট থেকে ৭.৫ লক্ষ টাকা গায়েব হয়ে গিয়েছে।
তারা ব্যাঙ্কের সাথে যােগাযােগ করলে জানতে পারেন ওই ব্যাঙ্কের ওডিশার সম্বলপুরের শাখায় সত্যবাদী সৎপতি নামে এক ব্যক্তির অ্যাকাউন্টে ওই টাকা গিয়েছে। অভিযােগে, ভুয়াে চেক দাখিল করে ও সই জাল করে টাকা তােলা হয়েছিল। চলতি মাসের ৮ তারিখ এই নিয়ে খড়দহ থানায় চিকিৎসক দম্পতি অভিযােগ দায়ের করেন।
তদন্তে নেমে খড়দহ থানার পুলিশ ওড়িশার সম্বলপুর থেকে হরিশ বেহেরা ও ঋমি প্রতাপ সিংকে গ্রেফতার করে। এরপরই গায়েব হওয়া টাকা দুই দফায় অ্যাকাউন্টে ফিরে পেয়েছেন চিকিৎসক দম্পতি।
বারাকপুর মহকুমা হাসপাতালের চিকিৎসক অপর্না হাজরা বলেন, ওই রাষ্ট্রায়ত্ত ব্যাঙ্কের নেট ব্যাঙ্কিং পরিষেবা তাদের করা ছিল না। এমনকি এটিএম কার্ডও নেওয়া ছিল না। তা সত্বেও টাকা গায়েব হয়েছে। এই ঘটনায় তারা বেশ অনিশ্চয়তা বােধ করছেন।




