• facebook
  • twitter
Friday, 8 May, 2026

মাধ্যমিকের ফল প্রকাশিত, পাশের হার ৮৬.৮৩ শতাংশ, প্রথম উত্তর দিনাজপুরের অভিরূপ

পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ প্রকাশ করল ২০২৬ সালের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল। পাশের হার ৮৬.৮৩ শতাংশ। রাজ্যে প্রথম উত্তর দিনাজপুরের অভিরূপ ভদ্র। জেলার ভিত্তিতে শীর্ষে কালিম্পং।

ছবি: বিশ্বজিৎ ঘোষাল

পশ্চিমবঙ্গ মধ্যশিক্ষা পর্ষদ (WBBSE) চলতি বছরের মাধ্যমিক পরীক্ষার ফল প্রকাশ করেছে। পরীক্ষা শেষ হওয়ার ৮৫ দিনের মাথায় পর্ষদের সভাপতি রামানুজ গঙ্গোপাধ্যায় (Ramanuj Gangopadhyay) আনুষ্ঠানিকভাবে ফল ঘোষণা করেন। এ বছর রাজ্যে মোট পাশের হার দাঁড়িয়েছে ৮৬.৮৩ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এই হার কিছুটা বৃদ্ধি পেয়েছে বলে জানিয়েছে পর্ষদ।

এবারের ফলাফলে জেলার নিরিখে সবচেয়ে ভাল ফল করেছে কালিম্পং (Kalimpong)। সেখানে পাশের হার ৯৫.১০ শতাংশ। দ্বিতীয় স্থানে পূর্ব মেদিনীপুর (Purba Medinipur), তাদের পাশের হার ৯৪.৮২ শতাংশ। তৃতীয় স্থানে রয়েছে কলকাতা (Kolkata), যেখানে পাশের হার ৯২.৩১ শতাংশ। পশ্চিম মেদিনীপুরও (Paschim Medinipur) এ বছর উল্লেখযোগ্য ফল করেছে।

Advertisement

এবারের মাধ্যমিকে রাজ্যে প্রথম স্থান অধিকার করেছে উত্তর দিনাজপুরের (Uttar Dinajpur) অভিরূপ ভদ্র। রায়গঞ্জের সারদা বিদ্যামন্দিরের ছাত্র অভিরূপ পেয়েছে ৬৯৮ নম্বর। শতাংশের হিসেবে তার প্রাপ্ত নম্বর ৯৯.৭১। ফল প্রকাশের পর থেকেই অভিরূপকে শুভেচ্ছা জানাতে শুরু করেছেন শিক্ষক, পড়ুয়া ও স্থানীয় বাসিন্দারা। কঠোর পরিশ্রম, নিয়মিত পড়াশোনা এবং পরিবারের সমর্থনই তার সাফল্যের মূল চাবিকাঠি বলে জানিয়েছে অভিরূপ।

Advertisement

পর্ষদ জানিয়েছে, এ বছরের মেধাতালিকায় স্থান পেয়েছে মোট ১৩১ জন পরীক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ১০৩ জন ছাত্র এবং ২৮ জন ছাত্রী। মেধাতালিকায় একাধিক জেলার পড়ুয়ারা জায়গা করে নিয়েছে, যা জেলার শিক্ষার মান বৃদ্ধির ইঙ্গিত বলেই মনে করছে শিক্ষা মহল।

চলতি বছরে মাধ্যমিক পরীক্ষায় অংশ নেয় মোট ৯ লক্ষ ৭১ হাজার ৩৪০ জন পরীক্ষার্থী। তাঁদের মধ্যে ছাত্র ছিল ৪ লক্ষ ২৬ হাজার ৭৩৩ জন এবং ছাত্রী ৫ লক্ষ ৪৪ হাজার ৬০৬ জন। এ ছাড়াও একজন রূপান্তরকামী পরীক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়। সংখ্যার বিচারে এবারও ছাত্রদের তুলনায় ছাত্রীর সংখ্যা অনেক বেশি ছিল।

নম্বরের নিরিখে দেখা গিয়েছে, ৯০ থেকে ১০০ শতাংশের মধ্যে নম্বর পেয়েছে ১.৪৬ শতাংশ পরীক্ষার্থী। ৮০ থেকে ৯০ শতাংশ নম্বর পেয়েছে ২.৮৯ শতাংশ পরীক্ষার্থী। অন্যদিকে ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ নম্বর পেয়েছে ৯.৬৪ শতাংশ পরীক্ষার্থী। ফলে এ বছর উচ্চ নম্বর পাওয়া পড়ুয়ার সংখ্যাও যথেষ্ট উল্লেখযোগ্য বলে মনে করছে শিক্ষা মহল।

Advertisement