ঘটনার পর দমকলের একাধিক ইঞ্জিন ঘটনাস্থলে পৌঁছে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এলাকায় তীব্র আতঙ্ক ছড়ায়। আগুনে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলির পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছে কলকাতা পুরসভা। পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, মোট ৫৩টি ঝুপড়ি ঘর নতুন করে নির্মাণ করে দেওয়া হবে। এই কাজের তদারকিতে রয়েছেন রাজ্যের মন্ত্রী জাভেদ খান, স্থানীয় ১০৮ নম্বর ওয়ার্ডের কাউন্সিলর তথা ১২ নম্বর বরোর চেয়ারম্যান সুশান্তকুমার ঘোষ।
Advertisement
অগ্নিকাণ্ডে ঘর হারানো পরিবারগুলির জন্য আপাতত নিকটবর্তী চিনা মন্দিরের একটি কমিউনিটি হলে অস্থায়ী থাকার ব্যবস্থা করা হয়েছে। সেখানে খাবার, পানীয় জল ও প্রাথমিক প্রয়োজনীয় সামগ্রী সরবরাহ করা হচ্ছে। বৃহস্পতিবার ফরেন্সিক দল ঘটনাস্থলে গিয়ে নমুনা সংগ্রহ করেছে। রিপোর্ট হাতে পাওয়ার পরই আগুন লাগার সঠিক কারণ জানা যাবে। বরো চেয়ারম্যান সুশান্তকুমার ঘোষ জানিয়েছেন, সব প্রক্রিয়া শেষ করে আগামী সপ্তাহ থেকেই নতুন ঘর তৈরির কাজ শুরু করা হবে, যাতে দ্রুত স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন ক্ষতিগ্রস্ত বস্তিবাসীরা।
Advertisement
Advertisement



