তৃণমূল দল কি ভেঙে খান খান হয়ে যাবে? এই প্রশ্নই এখন রাজনৈতির মহলে ঘুরছে। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহার সই কাণ্ডে অভিযোগ ঘিরে তোলপাড় রাজ্য-রাজনীতি। সোমবার মাত্র কয়েক ঘণ্টার নোটিসে তাঁদের বহিষ্কার করে তৃণমূল দল। দুই বহিষ্কৃত বিধায়কের ডাকা বৈঠকেই হাজির ৩০-এর বেশি বেসুরো তৃণমূল বিধায়ক। তাঁদের পক্ষে সমর্থন বাড়ছে বলে ইতিমধ্যেই দাবি করেছেন ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং সন্দীপন সাহা। এই ঘটনায় জল্পনা ছড়িয়েছে বাংলায় কি হতে পারে মহারাষ্ট্রের একনাথ শিন্ডে মডেল। আর এর মধ্যেই বিস্ফোরক পোস্ট করেছেন মন্ত্রী তাপস রায়।
সমাজমাধ্যমে তাপস রায় লিখেছেন, তৃণমূল কংগ্রেস ভেঙে চুরমার। মহারাষ্ট্রের মতন অবস্থা হল তৃণমূলের। বিধানসভার স্পিকার এর কাছে প্রায় ৫০ জন টিএমসির বিধায়ক নিয়ে পৌঁছে গিয়েছে ঋতব্রত।‘ এই পোস্টের শেষে মন্ত্রী টিপ্পনি করে লিখেছেন, ‘খেলা হবে।‘ যা একসময় তৃণমূল কংগ্রেসের ট্যাগ লাইন ছিল। তবে মন্ত্রীর এই পোস্ট যথেষ্ট তাৎপর্যপূ্ণ বলেই মনে করা হচ্ছে।
Advertisement
তবে এদিন বিধানসভায় ঢোকার মুখে ঋতব্রতকে সাংবাদিকরা এ নিয়ে প্রশ্ন করলে তিনি অবাক হয়ে যান। তিনি পাল্টা প্রশ্ন করেন, ‘কীসের তালিক, কোন বিধায়ক। বিধানসভায় আমি নিজের কাজে এসেছি। কোনও তালিকা নিয়ে আসিনি। এগুলি সব জল্পনা।’ তাপস রায়ের পোস্ট সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘নিজের আর সন্দীপন ছাড়া কারও দায়িত্ব আমি নিইনি। কে কী পোস্ট করেছেন সেটা তারাই বলতে পারবেন।’
Advertisement
শোনা যাচ্ছে, ৫০ জন তৃণমূল বিধায়কের সই সম্মিলিত একটি চিঠি নিয়ে বিধানসভার স্পিকারের দপ্তরে বহিষ্কৃত ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জমা দিতে যাচ্ছেন বলে খবর। শোনা যাচ্ছে, ৫০ বিধায়কের সই সম্মিলিত চিঠিতে নতুন তৃণমূলের ভিত্তিপ্রস্তরের কথা বলা হয়েছে। দাবি করা হয়েছে, তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও জোড়াফুল প্রতীকের আসল মালিক তাঁরাই। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নন।
Advertisement




