আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনের ভোট গণনা ও ফলাফল ঘোষণা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নিল নির্বাচন কমিশন। রাজ্যে এবার শুধুমাত্র জেলাশাসকের দপ্তরেই ভোট গণনা করা হবে বলে কমিশন সূত্রে জানা গিয়েছে। কোনও জেলায় জায়গার অভাব দেখা দিলে বিকল্প হিসেবে মহকুমা শাসকের দপ্তর ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়া হতে পারে।
নির্বাচন কমিশন সূত্রে খবর, রাজ্যের মুখ্য নির্বাচনী আধিকারিকের দপ্তর থেকে প্রাথমিকভাবে ১৫০টি গণনা কেন্দ্রের একটি তালিকা জাতীয় নির্বাচন কমিশনের কাছে পাঠানো হয়েছিল। তবে সেই তালিকা খতিয়ে দেখে কমিশন একটি বড় অংশ বাতিল করে দেয়। পর্যালোচনার পর আপাতত রাজ্যে ১১৪টি গণনা কেন্দ্র চূড়ান্ত করা হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।
Advertisement
প্রশাসনিক মহলের মতে, নির্বাচনী প্রস্তুতির অংশ হিসেবেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। জেলাশাসক ও মহকুমা শাসকের দপ্তরের মতো কেন্দ্রীয়ভাবে নিয়ন্ত্রিত সরকারি দপ্তরে ভোট গণনা হলে নিরাপত্তা ব্যবস্থা, নজরদারি এবং সামগ্রিক ব্যবস্থাপনা আরও মজবুত করা সম্ভব হবে। কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন, সিসিটিভি নজরদারি এবং তথ্য আদানপ্রদান নিয়ন্ত্রণ করাও তুলনামূলকভাবে সহজ হবে বলে কমিশনের একাংশের ধারণা।
Advertisement
তবে গণনা কেন্দ্রের সংখ্যা কমে যাওয়ায় একাধিক জেলায় চাপ বাড়তে পারে বলেও আশঙ্কা করা হচ্ছে। বিরোধী শিবিরের একাংশের মতে, পর্যাপ্ত জায়গা ও রাজনৈতিক দলগুলির এজেন্টদের স্বচ্ছভাবে কাজ করার সুযোগ নিশ্চিত করা না গেলে বিতর্ক তৈরি হতে পারে। যদিও এ বিষয়ে নির্বাচন কমিশনের তরফে এখনও পর্যন্ত কোনও আনুষ্ঠানিক বিবৃতি দেওয়া হয়নি।
ভোটের দিন যত এগিয়ে আসছে, ততই প্রশাসনিক প্রস্তুতি আরও জোরদার করা হচ্ছে। গণনা কেন্দ্রের সংখ্যা কমিয়ে নির্দিষ্ট সরকারি দপ্তরে সীমাবদ্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নির্বাচন কমিশনের কড়া নজরদারির ইঙ্গিত দিচ্ছে বলেই মনে করছেন রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশ।
Advertisement



