• facebook
  • twitter
Monday, 18 May, 2026

সবার মতামত নিয়ে নির্ধারিত হবে শিক্ষানীতি জানালেন শঙ্কর ঘোষ

সোমবার বিকাশ ভবনে অনুষ্ঠিত হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, যেখানে উপস্থিত ছিলেন স্বপন দাশগুপ্ত, শঙ্কর ঘোষ-সহ মোট ১৭ জন বিধায়ক

রাজ্যের শিক্ষা দপ্তর এখনও মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর হাতেই রয়েছে। তবে গত কয়েক মাস ধরে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক মহলে জোর জল্পনা, ভবিষ্যতে এই গুরুত্বপূর্ণ দপ্তরের দায়িত্ব স্বপন দাশগুপ্ত বা শঙ্কর ঘোষের হাতে তুলে দেওয়া হতে পারে। এরই মধ্যে নতুন শিক্ষাবর্ষ শুরু এবং মাধ্যমিক-উচ্চ মাধ্যমিকের ফলপ্রকাশের পর শিক্ষাব্যবস্থাকে ঘিরে গুরুত্বপূর্ণ আলোচনায় বসল রাজ্য সরকার।

সোমবার বিকাশ ভবনে অনুষ্ঠিত হয় একটি গুরুত্বপূর্ণ বৈঠক, যেখানে উপস্থিত ছিলেন স্বপন দাশগুপ্ত, শঙ্কর ঘোষ-সহ মোট ১৭ জন বিধায়ক। সকাল ১১টা থেকে শুরু হওয়া ওই বৈঠকে স্কুল ও উচ্চশিক্ষা দপ্তরের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়। বিশেষ করে, রাজ্যে কেন্দ্রীয় শিক্ষানীতি ২০২০ এবং পিএমশ্রী স্কুল প্রকল্প কার্যকর করার বিষয়টি গুরুত্ব পায়। শিক্ষামহলের একাংশের মতে, এই নীতির বাস্তবায়ন হলে এ রাজ্যের শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের পরিবর্তন আসতে পারে।

Advertisement

বৈঠকে শিক্ষা দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে আলোচনা করে আগামী দিনে প্রশাসনিক কাঠামো, পাঠ্যক্রম এবং শিক্ষার মানোন্নয়ন নিয়ে নানা পরিকল্পনার রূপরেখা তৈরি করা হয়। গত কয়েক বছরে শিক্ষা ক্ষেত্রে যে বিতর্ক ও অস্থিরতা তৈরি হয়েছে, সেই পরিস্থিতি থেকে বেরিয়ে এসে নতুনভাবে শিক্ষাব্যবস্থাকে গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার উপরও জোর দেওয়া হয়।

Advertisement

বৈঠকের পর শঙ্কর ঘোষ জানান, শিক্ষা ব্যবস্থাকে ভবিষ্যতের উপযোগী করে তুলতে সকলের মতামতকে গুরুত্ব দেওয়া হবে। তিনি বলেন, ‘গত কয়েক বছরে শিক্ষা ক্ষেত্রে যে পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে, তা কাটিয়ে এগিয়ে যেতে হলে সকলের সহযোগিতা প্রয়োজন। আলোচনা ও মতামতের ভিত্তিতেই শিক্ষানীতি নির্ধারণ করা হবে।‘

পাঠ্যক্রমে সম্ভাব্য পরিবর্তন নিয়েও প্রশ্ন ওঠে। সুকান্ত ভট্টাচার্যের লেখা বাদ যাওয়া বা সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনের মতো বিষয় অন্তর্ভুক্তি নিয়ে ভবিষ্যতে পরিবর্তন আসতে পারে কি না, সে প্রসঙ্গে শঙ্কর বলেন, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত মুখ্যমন্ত্রীর হাতেই রয়েছে। তবে যা সিদ্ধান্ত হবে, তা সর্বসম্মতিক্রমেই নেওয়া হবে বলে তিনি জানান।

 

Advertisement