• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 5 June, 2026

বোমা বিস্ফোরণ মামলায় গ্রেপ্তার পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের কর্মাধ্যক্ষ শামসুল ইসলাম

অভিযোগ, নিজের বাড়িতে বোমা তৈরি করছিলেন শামসুল

পূর্ব মেদিনীপুর জেলা পরিষদের স্বাস্থ্য কর্মাধ্যক্ষ তথা তৃণমূল নেতা শামসুল ইসলামকে গ্রেপ্তার করল নন্দীগ্রাম থানার পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে এই তৃণমূল নেতাকে গ্রেপ্তার করা হয়। অভিযোগ, নিজের বাড়িতে বোমা তৈরি করছিলেন শামসুল। সে সময়ই বিস্ফোরণ ঘটে। পুলিশ জানিয়েছে, কিছুদিন আগে শামসুল ইসলামের বাড়িতে বোমা বাঁধার কাজ চলছিল। সেই সময় বিস্ফোরণ ঘটে। সেই বিস্ফোরণে গুরুতর জখম হন তাঁর মেয়ে। ঘটনার পর তদন্ত শুরু হলেও অভিযুক্তের নাগাল পায়নি পুলিশ। শেষ পর্যন্ত  বৃহস্পতিবার রাতে অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।

শুক্রবার সকালে মেডিক্যাল পরীক্ষার জন্য তাঁকে নন্দীগ্রাম হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হলে সেখানে উত্তেজিত জনতার বিক্ষোভের মুখে পড়েন শামসুল।  অভিযোগ, ধৃতকে লক্ষ্য করে ডিমও ছোঁড়া হয়। চোর চোর স্লোগান ওঠে। পরিস্থিতি সামাল দিতে মোতায়েন ছিল বাড়তি পুলিশ।

উল্লেখ্য, তমলুক-ঘাটাল কো-অপারেটিভ ব্যাঙ্ক নির্বাচনের দিন নন্দীগ্রামের কাঞ্চননগর দিদারউদ্দিন হাই স্কুলের সামনে ব্যাপক বোমাবাজির ঘটনায়ও তদন্তকারীদের নজরে ছিলেন শামসুল ইসলাম। ওই ঘটনায় একাধিক ব্যক্তি আহত হন। ঘটনার গুরুত্ব বিচার করে ওই ঘটনার তদন্তের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছিল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা এনআইএকে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের একাংশের অভিযোগ, দীর্ঘদিন ধরেই নন্দীগ্রাম ও সংলগ্ন এলাকায় ত্রাস সৃষ্টি করেছিলেন শামসুল। তাঁর বিরুদ্ধে স্থানীয় বাসিন্দাদের ভুরি ভুরি অভিযোগ রয়েছে। গ্রামবাসীদের দাবি, কাটমানি ও কমিশন ছাড়া কোনও কাজ করতেন না শামসুল। কিন্তু তৃণমূল ক্ষমতায় থাকায় তাঁরা কেউই মুখ খুলতে পারেননি। শামসুল ইসলামের গ্রেপ্তারিকে স্বাগত জানিয়েছেন নন্দীগ্রামের মানুষ। তাঁদের দাবি, অভিযুক্তের কড়া শাস্তি হোক। এই মুহূর্তে শামসুলের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা।