বড়দিনে তিলোত্তমার মতো সেজে উঠেছে সৈকতনগরী দিঘাও। জগন্নাথ মন্দিরের চারদিকেই রঙিন আলোর ঝলকানি। আলো, সুরের মূর্ছনা আর ক্রিসমাসের সাজে দিঘা টেক্কা দিচ্ছে পার্কস্ট্রিটকে। মঙ্গলবার থেকেই দিঘায় উৎসবের আমেজ। বড়দিন ও নিউ ইয়ারের প্রাক্কালে আলো–সংগীত উপভোগ করতে ভিড় জমাতে শুরু করেছেন পর্যটকরা।
ক্রিসমাস ট্রি, ঘণ্টা, হরিণ, সান্তাক্লজ, বেলুন আর রিবনের সাজে দিঘা হয়ে উঠেছে আরও রঙিন। মন্দিরের সামনের রাস্তায় আলোর তরঙ্গের ঢেউ খেলছে। মন্দির চত্বর থেকে সৈকত, সব জাগাতেই উৎসবের ঝলক।
Advertisement
জগন্নাথ মন্দির উদ্বোধনের পর এই প্রথম বড়দিন ও নিউ ইয়ারে দিঘাকে আলোর সাজে ভরিয়ে তোলা হয়েছে। দিঘা–শঙ্করপুর উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের উদ্যোগে চলছে আলোকসজ্জা। হোটেল মালিকদেরও নিজেদের হোটেল আলোকিত করতে বলা হয়েছে। উৎসবের মরসুমে সেই আহ্বানে সাড়া দিয়ে দিঘার অধিকাংশ হোটেলই এখন আলোয় ঝলমল।
Advertisement
২৫ ডিসেম্বর থেকে ১ জানুয়ারি, এই সময় দিঘায় কয়েক লক্ষ মানুষের সমাগম হবে বলে মনে করছে প্রশাসন। সেই ভিড় সামাল দিতে আগাম প্রস্তুত জেলা পুলিশ। দিঘা বাইপাস থেকে যান চলাচলে চালু হচ্ছে ওয়ান-ওয়ে ব্যবস্থা। ২৪ ডিসেম্বর দুপুর থেকে ২৫ ডিসেম্বর সারাদিন এবং ৩১ ডিসেম্বর ও ১ জানুয়ারি একইভাবে কার্যকর থাকবে ‘সিঙ্গল মুভমেন্ট’। মুখ্যমন্ত্রী দিঘায় এলে যে ধরনের ট্রাফিক নিয়ন্ত্রণ থাকে, সেই ব্যবস্থা চালু করা হচ্ছে।
নিরাপত্তায় বাড়তি নজরদারির জন্য ড্রোন ও সিসি ক্যামেরায় নজর রাখবে পুলিশ। ইভটিজিং রুখতে মোতায়েন থাকবেন সাদা পোশাকের পুলিশও। প্রতিটি হোটেল কর্তৃপক্ষের সঙ্গে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ও পর্যটকদের নিরাপত্তা নিয়ে বৈঠক সেরেছে প্রশাসন। সাতটি জায়গায় চিহ্নিত করা হয়েছে পার্কিং জোন।
নিউ ইয়ার উপলক্ষ্যে দিঘায় একাধিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেছে ডিএসডিএ ও হোটেলিয়ার্স অ্যাসোসিয়েশন। ওল্ড দিঘার বিশ্ববাংলা উদ্যানে থাকছে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও গ্রিন বাজির প্রদর্শনী। বড়দিন থেকেই দিঘা কার্যত জনসমুদ্রের চেহারা নেবে বলেই আশা হোটেল মালিকদের।
Advertisement



