• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 18 July, 2026

শনিবার ভোরে মিলল দময়ন্তীর খোঁজ, দু’দিন কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে চলছে খোঁজ

পরিবারের দাবি, শনিবার ভোরে হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর লঞ্চঘাটের কাছে তাঁকে ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয় কয়েকজন বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেনকে খবর দেন। খবর পেয়ে, তিনি সেখানে গিয়ে মেয়েকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন

শনিবার ভোরে মিলল দময়ন্তীর খোঁজ, দু’দিন কোথায় ছিলেন, তা নিয়ে চলছে খোঁজ

Photo: Representational Image

দু’দিনের মাথায় বাড়ি ফিরলেন জাতীয় স্তরের রাইফেল শুটার দময়ন্তী সেন। পরিবারের দাবি, শনিবার ভোরে হাওড়ার রামকৃষ্ণপুর লঞ্চঘাটের কাছে তাঁকে ঘোরাফেরা করতে দেখে স্থানীয় কয়েকজন বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেনকে খবর দেন। খবর পেয়ে, তিনি সেখানে গিয়ে মেয়েকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন। তবে এই দু’দিন দময়ন্তী কোথায় ছিলেন, কীভাবে সময় কাটিয়েছেন বা কেন বাড়ি ছেড়ে বেরিয়ে গিয়েছিলেন, এসব বিষয়ে পরিবারের সদস্যরা কোনও মন্তব্য করতে চাননি।

গত বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা নাগাদ প্রতিদিনের মতোই মধ্য হাওড়ার উমাচরণ ভট্টাচার্য লেনের বাড়ি থেকে দুধ কিনতে বেরিয়েছিলে বছর পনেরোর দময়ন্তী। তাঁর সঙ্গে মোবাইল ফোন বা টাকা-পয়সা কিছুই ছিল না। নাইটড্রেস পরেই তিনি স্থানীয় দোকানে গিয়েছিলেন। সকাল ১০টা নাগাদ বাবার সঙ্গে অনুশীলনে যাওয়ার কথা থাকলেও সেই সময় তিনি আর বাড়ি ফেরেননি। দীর্ঘক্ষণ অপেক্ষার পর বাবা ধ্রুবজ্যোতি সেন আশপাশে খোঁজাখুঁজি শুরু করেন। কোথাও সন্ধান না মেলায় হাওড়া থানায় নিখোঁজ ডায়েরি দায়ের করা হয়। পরিবারের দাবি, বাড়িতে কোনও অশান্তি বা বিবাদের ঘটনা ঘটেনি। তাই আচমকা তাঁর এভাবে চলে যাওয়ার কারণ বুঝে উঠতে পারেননি তাঁরা।

তদন্তে জানা গিয়েছে, বৃহস্পতিবার সকালে প্রথমে হাওড়া স্টেশন এবং পরে শ্রীরামপুর স্টেশনে দময়ন্তীকে দেখা গিয়েছিল। শুক্রবার সকালে আবার শ্রীরামপুরের মাহেশ রথের মেলায় তাঁকে দেখতে পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ে। এই তথ্য দ্রুত সমাজমাধ্যমেও ছড়িয়ে যায়।  দময়ন্তীর বাবা অভিযোগ করেছেন, স্টেশনের সিসিটিভি ফুটেজ হাওড়া সিটি পুলিশের হাতে না থাকায় মেয়েকে খুঁজে পেতে অনেকটা সময় লেগে গিয়েছে। যদিও রেল পুলিশ এই অভিযোগ অস্বীকার করেছে।

শুক্রবার বিকেলে ভবানী ভবনে গিয়ে উচ্চপদস্থ পুলিশ কর্তাদের সঙ্গেও দেখা করেন ধ্রুবজ্যোতি সেন। দময়ন্তরী খোঁজে হাওড়া সিটি পুলিশ চারটি পৃথক তদন্তকারী দল গঠন করে। শুধ হাওড়া নয়, রাজ্যের বিভিন্ন জেলাতেও ওই দলগুলিকে পাঠানো হয়। পরিবারের কাছ থেকে সম্ভাব্য গন্তব্যের তথ্য সংগ্রহ করে সে সব জায়গায় তল্লাসি চালান গোয়েন্দারা। অবশেষে শনিবার ভোরে রামকৃষ্ণপুর লঞ্চঘাট এলাকায় দময়ন্তীকে দেখতে পান স্থানীয়রা। সেই খবর পেয়ে বাবা গিয়ে মেয়েকে বাড়িতে ফিরিয়ে আনেন।