• facebook
  • twitter
Wednesday, 28 January, 2026

ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

সিঙ্গুর থেকে বিবিধ প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়

বুধবার হুগলির সিঙ্গুর থেকে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সেখানে উপস্থিত ঘাটালের তিন বারের সাংসদ অভিনেতা দেব। রয়েছেন রাজ্যের জলসম্পদ মন্ত্রী মানস ভুইয়াঁ।

ঘাটালের জায়ান্ট স্ক্রিনে নজর রাখলেন জেলা প্রশাসনের আধিকারিকেরা। ওই প্রকল্পের বাস্তবায়নে উপকৃত হবেন পশ্চিম মেদিনীপুর জেলার ৭টি ব্লক— ঘাটাল, দাসপুর-১ ও ২, চন্দ্রকোনা-১ ও ২, কেশপুর এবং ডেবরা ছাড়াও পূর্ব মেদিনীপুরের ৪টি ব্লক— পাঁশকুড়া-১, কোলাঘাট, ময়না এবং তমলুকের মানুষ। তা ছাড়াও ঘাটাল ও পাঁশকুড়া পুরসভা রয়েছে। ১০ লক্ষ মানুষকে জল-যন্ত্রণা থেকে মুক্তি দেবে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান, দাবি প্রশাসনের।

Advertisement

সিঙ্গুর থেকে বিবিধ প্রকল্পের উদ্বোধন এবং শিলান্যাস করছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এ ছাড়াও সরকারি পরিষেবা প্রদান অনুষ্ঠান করছেন তিনি।  গত লোকসভা ভোটের প্রচারে হুগলির আরামবাগ ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান তৈরির ঘোষণা করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। সে দিন তাঁর পাশে ছিলেন দেব। বুধবার হুগলি থেকেই ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের উদ্বোধন করলেন মুখ্যমন্ত্রী। বুধবারও পাশে দেব।

Advertisement

কেন্দ্রীয় সরকারকে একাধিক বার আবেদন করা সত্ত্বেও এই প্রকল্পের জন্য অর্থ বরাদ্দ করা হয়নি বলে অভিযোগ মমতার। তাই রাজ্য সরকার ১৫০০ কোটি টাকা ব্যয় করে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের রূপায়ণ করছে। ইতিমধ্যেই সাংসদ দেবের অনুরোধে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। ২০২৭ সালের মধ্যে নদী বাঁধের উচ্চতা বৃদ্ধি হবে প্রায় ৫০ কিমি, খাল এবং নদী খনন হবে ৫০ কিমি পর্যন্ত। ২টি পাম্প হাউস, ৩টি রেগুলেটর, একটি সেতু সম্প্রসারণ এবং ১০৪টি নতুন সেতু করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে সেচ এবং জলসম্পদ দপ্তরের তরফে।

উল্লেখ্য, গত লোকসভা নির্বাচনের আগে দেব দাবি জানিয়েছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কাছে ঘাটাল মাস্টার প্ল্যানের বিষয়ে। দেবকে মঞ্চে রেখেই নির্বাচনী প্রচারে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেছিলেন কেন্দ্র সরকার বঞ্চনা করলেও ঘাটাল মাস্টার প্ল্যান রাজ্য সরকার করবে। সেই মতো প্রথম পর্যায়ে ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ হয়। পশ্চিম মেদিনীপুরের  জেলা সেচ দফতরের এক আধিকারিক জানান, গত বছরের ফেব্রুয়ারি মাস থেকেই কাজ শুরু হয়েছে।

Advertisement