• facebook
  • twitter
Thursday, 12 March, 2026

আজ নবান্নে জরুরি বৈঠক মুখ্যমন্ত্রীর

বৈঠকের পর, দু’টি গ্যাস বুকিংয়ের মধ্যে অন্তত ২৫ দিনের ব্যবধান বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি।

প্রতিনিধিত্বমূলক চিত্র

গ্যাস সঙ্কট মোকাবিলায় বৃহস্পতিবার নবান্নে আরও এক জরুরি বৈঠকের ডাক দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যদিও বুধবারও একটি জরুরি বৈঠকে বসেন তিনি। বৈঠকের পর, দু’টি গ্যাস বুকিংয়ের মধ্যে অন্তত ২৫ দিনের ব্যবধান বাধ্যতামূলক করার সিদ্ধান্ত নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তাঁর দাবি, এই ঘোষণার ফলে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে এবং গ্যাস সরবরাহ নিয়েও অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর কথায়, ‘মানুষ এখন গ্যাস বুক করতে গিয়ে সমস্যায় পড়ছেন। অনেক ক্ষেত্রে বুকিং করা যাচ্ছে না, আবার বুকিংয়ের পরেও ৮ থেকে ১০ দিন পর্যন্ত সিলিন্ডার পাওয়া যাচ্ছে না। এই পরিস্থিতিতে সাধারণ পরিবারের হেঁশেলে টান পড়েছে।’ তাঁর অভিযোগ, কেন্দ্রীয় সরকার আগেভাগে পরিস্থিতির মূল্যায়ন না করেই এই ধরনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে।

যদিও বৃহস্পতিবারেও আবার বৈঠকে বসার কথা বলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বৃহস্পতিবার ডিলার ও প্রশাসনিক আধিকারিকদের নিয়ে বৈঠক করবেন তিনি। কীভাবে বিকল্প ব্যবস্থা করা যায় এবং সাধারণ মানুষকে কিছুটা স্বস্তি দেওয়া যায়, তা নিয়েই মূলত আলোচনা হবে বলে জানা গিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, রাজ্যের আর্থিক সীমাবদ্ধতা থাকলেও প্রয়োজনে মানুষকে সাহায্য করার কথা ভাবছে সরকার।

Advertisement

তিনি বলেন, ‘আমি ভর্তুকি দিতে চাই। কিন্তু শুধু টাকা দিলেই সমস্যার সমাধান হবে না। কারণ বাজারে গ্যাসের জোগানই যদি কম থাকে, তা হলে ভর্তুকি দিয়েও লাভ হবে না। তাই বিকল্প ব্যবস্থা নিয়ে ভাবতে হবে।’ তাঁর মতে, গ্যাসের জোগান নিশ্চিত করাই এখন সবচেয়ে জরুরি। মুখ্যমন্ত্রী আরও দাবি করেন, গ্যাস সরবরাহ পুরোপুরি কেন্দ্রের নিয়ন্ত্রণে। তাই এই সমস্যার মূল সমাধানও কেন্দ্রকেই করতে হবে। তাঁর কথায়, কেন্দ্রীয় পেট্রোলিয়াম মন্ত্রক যদি দ্রুত পদক্ষেপ না করে, তবে পরিস্থিতি আরও জটিল হতে পারে।

Advertisement

গ্যাস সঙ্কটের প্রভাব ইতিমধ্যেই বিভিন্ন ক্ষেত্রে পড়তে শুরু করেছে। রাজ্যের একাধিক অটো রুটে ভাড়া বেড়েছে। একই সঙ্গে ছোট রেস্তরাঁ এবং খাবারের দোকানগুলিতেও খাবারের দাম বাড়তে শুরু করেছে। এমনকি অনেক রেস্তরাঁ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে। এ প্রসঙ্গে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘যাঁরা ভাড়া বা খাবারের দাম বাড়িয়েছেন, তাঁদের যুক্তি কিছুটা হলেও রয়েছে।

Advertisement