সন্দেশখালিতে জমিদখলের মামলাতে শেখ শাহজাহান সহ তার ঘনিষ্ঠদের বিরুদ্ধে চার্জ গঠন করল ইডি। আজ সোমবারেই বিশেষ আদালতে এই চার্জ গঠনের প্রক্রিয়া সম্পন্ন হয়। অভিযোগ, ভয় দেখিয়ে জমি দখলের মাধ্যমে টাকা উপার্জন করেছিলেন অভিযুক্তেরা।
এভাবেই মোট ৫ কোটি টাকা প্রসিড অফ ক্রাইম হিসেবে শনাক্ত করেছে ইডি। শাহজাহান ছাড়াও, আলমগির, শিবপ্রসাদ হাজরা, দিদার বক্স মোমল্লার বিরুদ্ধেও চার্জ গঠন করা হয়েছে। এই মামলায় ৭ জুলাই সাক্ষ্যগ্রহণ শুরু হবে। মোট ৩০ জন সাক্ষী হিসেবে রয়েছেন এই মামলাতে। রেশন দুর্নীতি মামলাতে শাহজাহানের নাম জড়িয়েছিল। ২০২৪ সালের জানুয়ারিতে তাঁর বাড়িতে তল্লাশিও চালাতে গিয়েছিল ইডি। কিন্তু কেন্দ্রীয় আধিকারিকদেরই মার খেতে হয়েছিল। তারপরেই নিজে কার্যত উবে গিয়েছিলেন। যদিও ২ মমাস পরে শাহজাহানকে গ্রেফতার করেছিল রাজ্য পুলিশ । তারপরে তাকে নিজেদের হেফাজতে নিয়েছিল সিবিআই। তার বিরুদ্ধে সন্দেশখালিতে সাধারণ গ্রামবাসীদদের উপরে অত্যাচার, জমি জবরদখল, মাছের ব্যবসার আড়ালে দুর্নীতির মতো গুরুত অভিযোগ উঠে এসেছিল।
আজ আদালতে চার্জ গঠনের মধ্যে দিয়ে সন্দেশখালির এই বিতর্কিত অধ্যায়ে নতুন মমোড় এল। ইডির এইি পদক্ষেপ সন্দেশখালির নির্যাতিত মামনুষদের কাছে ন্যায়বিচারের আশা জাগিয়ে তুলল বলে মনে করছেন অনেকে।
প্রসঙ্গত তৃণমূল জমানাতে সন্দেশখালি এলাকার নির্বাচনের পুরো দায়িত্ব থাকত এই শেখ শাহজাহানের উপরে। তৃণমূলকে যেতানোর জন্য নানা ধরনের অপকর্মও তিনি করেছেন। সেই সঙ্গে মহিলাদের উপরে নির্যাতন তো ছিলই। আর সেখানে মানষদের পাশে দাঁড়িয়েছিল বিজেপি। সেখানকার আমজনতার চিৎকারকে কার্যত সকলের সামনে তুলে ধরতে মরিয়া চেষ্টা করেছিল। সেই সময়ে বিজেপির তরফে প্রার্থী করা হয়েছিল রেখা পাত্রকেও। যাতে তাঁকে মুখ করে সন্দেশখালির মানুষজন প্রতিবাদ করতে সাহস পায়। কিন্তু এতটাই তার প্রভাব প্রতিপত্তি বেশি ছিল যে মমানুষজন খুব বেশি এগিয়ে আসতে সাহস পায়নি। কিন্তু ক্ষমতার পালাবদলের পরেই এই মামলা নিয়ে এগোনো শুরু হল।




