নন্দীগ্রামে কংগ্রেস প্রার্থী মিলনের জামিন খারিজ, ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ

Image: Social Media

নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনে কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানের ( Milan Pradhan) জামিনের আবেদন খারিজ করল আদালত। শনিবার হলদিয়া আদালত তাঁকে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দিয়েছে। আগামী সোমবার খেজুরি থানার একটি পৃথক মামলায় তাঁকে কাঁথি আদালতে হাজির করানো হবে বলে জানা গিয়েছে।

শুক্রবার পূর্ব মেদিনীপুরের চণ্ডীপুর থেকে মিলনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। কংগ্রেসের দাবি, সভা করতে গিয়েছিলেন তিনি। সেখান থেকেই তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়। পুলিশ সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালের একটি পুরনো মামলার ভিত্তিতে মিলনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শনিবার তাঁকে হলদিয়া আদালতে পেশ করা হয়। শুনানিতে তাঁর জামিনের আবেদন জানানো হলেও তা খারিজ করে ১৪ দিনের জেল হেফাজতের নির্দেশ দেওয়া হয়।

আরও পড়ুন: ‘ইউটার্ন’ রবিউল আলম চৌধুরীর, সকালে প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত থেকে সরে দাঁড়ালেন রেজিনগরের প্রার্থী


এদিকে শনিবারই নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের প্রার্থীপদ প্রত্যাহারের শেষ সময় ছিল। এর ফলে মিলনের গ্রেপ্তারির পর তিনি ভোটের ময়দান থেকে সরে দাঁড়াবেন কি না, তা নিয়ে জল্পনা তৈরি হয়। তবে শেষ পর্যন্ত কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে তাঁর লড়াই অব্যাহত রাখার কথা জানিয়েছে দল। মিলনের গ্রেপ্তারিকে ঘিরে শাসকদল বিজেপি এবং পুলিশের বিরুদ্ধে সরব হয়েছে কংগ্রেস। দলের অভিযোগ, ভোটে প্রার্থী হওয়ার পরেই ১৯ বছরের পুরনো মামলা সামনে এনে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

হলদিয়া আদালতের বাইরে প্রদেশ কংগ্রেস মুখপাত্র তথা সচিব অজিতেশ পাণ্ডে বলেন, ‘আদালতে পুলিশ জানাল, ১৯ বছর ধরে তারা নাকি মিলনকে পায়নি। নির্বাচনে প্রার্থী হওয়ার পর তাঁকে পেয়ে গেল। কি অদ্ভুত না?’ তিনি আরও জানান, খেজুরি থানায় দায়ের হওয়া একটি মামলায় আগামী সোমবার মিলনকে কাঁথি আদালতে হাজির করানো হবে। তবে তাঁদের দল ভোটের ময়দান থেকে সরে দাঁড়াচ্ছে না বলেও স্পষ্ট করেছেন।

আরও পড়ুন: বাংলায় এসআইআর-পর ৩৭ লক্ষেরও বেশি আবেদন বিচারাধীন, সুপ্রিম কোর্টকে জানাল নির্বাচন কমিশন

এর পাশপাশি প্রদেশ কংগ্রেস সভাপতি শুভঙ্কর সরকার অভিযোগ করেছেন, প্রার্থী মিলন প্রধানকে গ্রেপ্তারের আগে চোখে কাপড় বেঁধে সমুদ্র এলাকায় ঘুরিয়ে মনোনয়নপত্র তুলে নেওয়ার জন্য ক্রমাগত চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। এমনকি প্রার্থীকে কোথায় ও কেন নিয়ে যাওয়া হচ্ছে, এই প্রশ্ন করায় কংগ্রেসের জেলা পর্যবেক্ষক শুভাশিস ভট্টাচার্যকেও পুলিশ গ্রেপ্তার করেছে বলে দাবি তাঁর। তাঁর কথায়, ‘প্রার্থীর জেল হলেও আমরা নির্বাচন থেকে সরছি না। মিলন জেল থেকেই লড়বে। চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন নন্দীগ্রামের মানুষ।’

দেখুন:  <iframe width=”560″ height=”315″ src=”https://www.youtube.com/embed/rk_iu9coC5s?si=4zA4Dll_mpAw05xK” title=”YouTube video player” frameborder=”0″ allow=”accelerometer; autoplay; clipboard-write; encrypted-media; gyroscope; picture-in-picture; web-share” referrerpolicy=”strict-origin-when-cross-origin” allowfullscreen></iframe>