• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 28 October, 2026

অভিষেকের প্রাক্তন পিএ সুমিতকে শোন অ্যারেস্ট ডায়মন্ডহারবার থানার, কোন মামলায়?

তাছাড়া জমি চক্রের সঙ্গে সুমিতের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। শেখ ইমরান পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছিল, জমি বিক্রির

অভিষেকের প্রাক্তন পিএ সুমিতকে শোন অ্যারেস্ট ডায়মন্ডহারবার থানার, কোন মামলায়?

Abhishek Banerjee PA Sumit Roy Photo-SNS

আরও জড়িয়ে পড়ছেন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়। আইনি জটিলতা আরও বাড়ল সুমিতের। এবার মাটি চুরির একটি মামলায় তাঁকে ‘শোন অ্যারেস্ট’ দেখাল ডায়মন্ডহারবার জেলা পুলিশ। বুধবার ধৃতকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়। তবে মামলায় জামিনের আবেদন করেছেন সুমিত রায়। শালবনী থেকে আলিপুরে এদিন নিয়ে আসা হয় সুমিতকে। শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় ইতিমধ্যেই বিচারাধীন বন্দি হিসেবে জেলে আছেন সুমিত রায়। এবার ডায়মন্ডহারবার জেলার অন্তর্গত কালীতলা আশুতি থানায় তাঁর বিরুদ্ধে একটি নতুন মামলা দায়ের হয়। আনুমানিক প্রায় ৪০০ কোটি টাকার মাটি চুরির অভিযোগ তোলা হয়েছে সুমিত রায়ের বিরুদ্ধে।

এদিকে এই মাটি চুরির মামলাতেই ডায়মন্ডহারবার জেলা পুলিশ তাঁকে শোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছে। বুধবার হেফাজতে নেওয়ার আবেদন জানিয়ে আদালতে পেশ করা হয়েছে সুমিত রায়কে। অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের প্রাক্তন আপ্ত-সহায়ক শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় বন্দি আছেন। তা নিয়ে তদন্ত চলছে। তাই নিয়ম মেনে নতুন মামলায় গ্রেপ্তার করতে তাঁকে শোন অ্যারেস্ট দেখিয়েছে পুলিশ। আদালতে সুমিত রায়ের আইনজীবী জামিনের আবেদন করেন। এর আগে শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় তীব্র চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছিল। বিশেষ করে যখন ডায়মন্ডহারবারের সাংসদের কালীঘাটের বাড়ি থেকে সুমিত রায়কে গ্রেপ্তার করেছিল সিআইডি।

অন্যদিকে শালবনি জমি দুর্নীতি মামলায় সুমিত রায়কে গ্রেপ্তার করেছিল সিআইডি। শালবনি এলাকায় খাস সরকারি জমির ভুয়ো নথি তৈরি করে বিক্রি করার পিছনে সুমিতের হাত রয়েছে বলে অভিযোগ। এই মামলায় প্রাক্তন বিধায়ক সুজয় হাজরাকে প্রথমে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। তাঁকে জেরা করেই অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের আপ্তসহায়ক সুমিত রায়ের খোঁজ পান তদন্তকারী অফিসাররা। এমনকী এই মামলায় যে চার্জশিট জমা দিয়েছে তদন্তকারী সংস্থা সেখানে স্পষ্ট জানানো হয়েছে, এই কেলেঙ্কারির টাকা সুজয়ের হাত দিয়ে সুমিত রায়ের অফিসে পৌঁছে যেত। এবার জমি দুর্নীতি মামলার পাশাপাশি কালীতলা আশুতি থানা এলাকায় মাটি চুরির মামলায় সুমিত রায়কে শোন অ্যারেস্ট করল পুলিশ।

তাছাড়া জমি চক্রের সঙ্গে সুমিতের যোগাযোগ ছিল বলে অভিযোগ রয়েছে। শেখ ইমরান পুলিশের কাছে অভিযোগ করেছিল, জমি বিক্রির কথা বলে তাঁর কাছ থেকে ১০ লক্ষ টাকা নেওয়া হয়েছিল। সুজয় এই টাকা নিয়েছিল সুমিতকে ঢাল করে। তবে সুমিত এই টাকার কথা জানিয়েছিলেন জমি বিক্রির কথা বলে। পরে তিনি জানতে পারেন, যে জমি তাঁকে বিক্রি করা হয়েছিল সেটার মালিকানা নিয়ে সমস্যা রয়েছে। চুক্তিপত্র বা বৈধ নথি না পাওয়া এবং টাকা ফেরত না দেওয়ার অভিযোগ তুলে তিনি শালবনি থানায় অভিযোগ করেছিলেন।