• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 13 August, 2026

মুর্শিদাবাদে ফের সাত বাংলাদেশি নাগরিক আটক, দাবি পুলিশের

মুর্শিদাবাদে ফের সাত জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লালগোলা থানার

মুর্শিদাবাদে ফের সাত বাংলাদেশি নাগরিক আটক, দাবি পুলিশের

প্রতীকী চিত্র

মুর্শিদাবাদে ফের সাত জন বাংলাদেশি নাগরিককে আটক করল পুলিশ। বৃহস্পতিবার সকালে গোপন সূত্রে খবর পেয়ে লালগোলা থানার পুলিশ বালিগ্রাম এলাকায় অভিযান চালায়। সেখান থেকেই ওই সাত জনকে আটক করা হয় বলে পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে।

পুলিশের দাবি, আটক ব্যক্তিদের জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে তাঁরা নিজেদের বাংলাদেশের নাগরিক বলে স্বীকার করেন। তাঁদের বাড়ি বাংলাদেশের রাজশাহী জেলায় বলেও পুলিশ জানিয়েছে।  আটক সাত জনকে বৃহস্পতিবার লালগোলার পদ্মাভবন আটক কেন্দ্রে পাঠানো হয়েছে। তাঁরা কী ভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিলেন এবং তাঁদের কাছে বৈধ নথিপত্র ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

এর আগে গত ১৮ মে ৮ বাংলাদেশি নাগরিককে গ্রেপ্তার করেছিল উত্তর ২৪ পরগনার নিমতা থানার পুলিশ। ধৃতদের আশ্রয় দেওয়ার অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল শহিদুল ইসলাম নামে এক ব্যক্তিকেও। ধৃতদের কাছ থেকে আধার কার্ড, প্যান কার্ড, ই-রেশন কার্ড, জন্ম শংসাপত্র, ব্যাঙ্কের ডেবিট ও ক্রেডিট কার্ড-সহ একাধিক নথি উদ্ধার হয়েছিল। সেখান থেকে পাওয়া গিয়েছিল তাদের বাংলাদেশের জন্ম শংসাপত্র। তৃণমূল সরকারের আমলে তাঁরা নথিপত্র বানিয়ে সেখানে থাকতে শুরু করেছিলেন বলে অভিযোগ।

এছাড়াও গত ২৪ মে হাওড়ার জগাছা থানা এলাকায় গ্রেপ্তার করা হয়েছিল বাংলাদেশি দম্পতিকে। ধৃতদের নাম রমজান গাজি এবং আরিফা বেগম। বয়স যথাক্রমে ৩৬ এবং ৩৪ বছর। ১৪ বছর ধরে এ দেশে অবৈধ ভাবে ছিলেন বাংলাদেশি দম্পতি। সীমান্তে দালালদের মোটা অঙ্কের টাকা দিয়ে পশ্চিমবঙ্গে ঢোকেন রমজান এবং আরিফা। তখন থেকেই হাওড়ার জগাছা থানার উনসানি মাঝেরপাড়া এলাকায় তাঁদের বসবাস। রমজান স্থানীয় বাজারে ডাব, তাল ইত্যাদি বিক্রি করে সংসার চালাতেন। ২০১৪ সাল নাগাদ নকল কাগজপত্র দেখিয়ে রেশন কার্ড, ভোটার কার্ড, আধার কার্ড, প্যান কার্ড, পাসপোর্ট ইত্যাদি বানিয়েছিলেন তাঁরা। এমনকি, গত লোকসভা নির্বাচনে ভোটদানও করেছেন ওই দম্পতি।

তাছাড়াও ২ জুন মুর্শিদাবাদের সামসেরগঞ্জ থানা এলাকা থেকে এক বাংলাদেশী যুবককে গ্রেপ্তার করেছিল জঙ্গিপুর পুলিশ জেলার অন্তর্গত সামসেরগঞ্জ থানার পুলিশ। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল, ধৃত যুবকের নাম শাহীন শেখ। তার আসল বাড়ি বাংলাদেশের চাঁপাই নবাবগঞ্জ জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর হঠাৎ পাড়া এলাকায়।  ২০২১ সালে সীমান্ত পেরিয়ে অবৈধভাবে ভারতে প্রবেশ করেছিল শাহীন। এরপর সে সামসেরগঞ্জ এলাকাতেই গা-ঢাকা দিয়ে থাকতে শুরু করে। শুধু তাই নয়, এখানেই পরিচয় গোপন করে দীর্ঘ চার বছর ধরে বসবাস করার পাশাপাশি সে রীতিমতো বিয়ে করে সংসারও পেতেছিল।