নিজাম প্যালেসের সামনে হাজার হাজার ক্ষিপ্ত তৃণমূল কর্মী তাদের নেতা-মন্ত্রীদের গ্রেপ্তারের প্রতিবাদে ফুঁসছেন। কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানদের প্রতি ইট পাটকেল ছুড়বার অভিযােগও উঠে। পাশাপাশি রাজ্যব্যাপী শুরু হয়ে যায় এই ধরনের বিক্ষোভ প্রদর্শন কর্মসুচি।
এই ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘােষ জানিয়েছেন- আইনের উপরে ভরসা না রেখে অরাজকতা তৈরি করছেন মমতা। অতীতে নরেন্দ্র মােদী-অমিত শাহদের সিবিআই ডেকেছিল। তখন তাে আমরা রাস্তায় প্রতিবাদ মিছিল করেনি। তৃণমূলের উচিত আইনের পথে যাওয়া। যারা গ্রেপ্তার হয়েছেন তারা দোষী বলেই মমতা গিয়েছেন। করােনা মহামারী পরিস্থিতিতে তৃণমূলের বিক্ষোভ বেআইনী।
Advertisement
একই মামলায় শুভেন্দু অধিকারী-মুকুল রায় অভিযুক্ত প্রসঙ্গে দিলীপ ঘােষ জানান-কাকে গ্রেপ্তার করবে, আর কাকে করবেনা সেটা সিবিআইয়ের বিষয়। তথ্যপ্রমাণ অনুযায়ী ব্যবস্থা গ্রহণ করছে সিবিআই।
Advertisement
অপরদিকে সিবিআইয়ের তরফে জানানাে হয়েছে- যখন নারদ মামলা হয়, তখন শুভেন্দু অধিকারী লােকসভার সাংসদ ছিলেন। লােকসভার অধ্যক্ষের অনুমতি এখনও মিলেনি। মুকুল রায়ের বিরুদ্ধে চার্জশিট দাখিল করার মত তথ্যপ্রমাণ মিলেনি। অপরদিকে রাজ্য বিধানসভার স্পিকার বিমানবাবু বলেন আমার অনুমতি ছাড়া তিনজন বিধায়ককে গ্রেপ্তার করেছে সিবিআই। যা আইনগত বেআইনী। ভারতীয় আইন অনুযায়ী কোনও জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে ফৌজদারি অভিযােগ থাকলে গ্রেপ্তারে বাধা নেই তদন্তকারী সংস্থার।
Advertisement



