সামনেই কালীপুজো ও দীপাবলির মতো বড় উৎসব। কিন্তু উৎসবের মরশুমেই মধ্যবিত্তদের মাথায় হাত পড়তে চলেছে। ঘি ও মাখনের দাম বাড়াল আমুল। দুধের উৎপাদন খরচ বৃদ্ধির কথা বলে এই দুগ্ধজাত পণ্যের দাম বাড়ানো হয়েছে। বুধবার থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর হয়েছে।
জানা গিয়েছে, আমূলের ১ কেজি ওজনের এক কার্টন ঘিয়ের দাম ৪০ টাকা বাড়ানো হয়েছে। ৬৪০ টাকা থেকে বেড়ে ৬৮০ টাকা করা হয়েছে। ৫০০ গ্রাম ওজনের এক প্যাকেট ঘিয়ের পাউচ কিনতে আগে খরচ হত ৩২৫ টাকা। আর এখন তা কিনতে হবে ৩৪৫ টাকায়। ৫০০ মিলিলিটারের আমুল কাউ ঘির পাউচের দাম ৩৫০ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৩৭০ টাকা। অর্থাৎ ২০ টাকা বেড়েছে।
সেই সঙ্গে, ১ লিটার পাউচের দাম ৬৯৫ টাকা থেকে বেড়ে হয়েছে ৭৩৫ টাকা। ঘিয়ের পাশাপাশি মাখনেরও দাম বৃদ্ধি হয়েছে। ১০০ গ্রাম ওজনের মাখনের প্যাকেটের দাম ৩ টাকা বেড়েছে। এর আগে দাম ছিল ৬৩ টাকা। বর্তমানে দাম হয়েছে ৬৬ টাকা। ৫০০ গ্রামের প্যাকেটের পুরনো দাম ছিল ৩১০ টাকা। বর্তমানে তা কিনতে ৩২৫ টাকা খরচ হবে। সেক্ষেত্রে বড় প্যাকেটের দাম বাড়ল ১৫ টাকা।
কিন্তু কেন হঠাৎ করে আমুল দুগ্ধজাত পণ্য ঘি ও মাখনের দাম বাড়াল? আমুলের তরফে জানানো হয়েছে, দুধ উৎপাদনের খরচ বেড়ে যাওয়াই এই মূল্যবৃদ্ধির মূল কারণ। সেই সঙ্গে জানানো হয়েছে, বাজারে চাহিদা বৃদ্ধির পাশাপাশি বেশ কিছু জায়গায় আমুলের গরুর দুধের তৈরি ঘিয়ের ঘাটতি দেখা দেওয়ার জন্যই এই মূল্যবৃদ্ধি ঘটল।
আরও পড়ুন: বিদেশি অর্থে অরাজকতা চালাচ্ছে ককরোচরা, পাক-যোগের অভিযোগ কেন্দ্রীয় মন্ত্রীর
উৎপাদন খরচের ঊর্ধ্বগতির কথা মাথায় রেখেই নতুন দাম নির্ধারণ করা হয়েছে বলে সংস্থাটি জানিয়েছে। আমুল জানিয়েছে, দুধ সংগ্রহের জন্য কৃষকদের যে মূল্য দেওয়া হত, তা ২০২৫ সালের মে মাস থেকে ৩.৭ শতাংশ বৃদ্ধি করা হয়েছে।




