• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 23 October, 2026

অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’ উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! ইমেলে নিশানায় দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্ট, স্কুলও

টাইগার শ্রফকে ঘিরে হামলার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার হুমকি এল অমিতাভ বচ্চনের মুম্বইয়ের বাড়ি উড়িয়ে দেওয়ার!

অমিতাভ বচ্চনের ‘জলসা’ উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি! ইমেলে নিশানায় দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্ট, স্কুলও

টাইগার শ্রফকে ঘিরে হামলার ঘটনার রেশ কাটতে না কাটতেই এবার হুমকি এল অমিতাভ বচ্চনের মুম্বইয়ের বাড়ি উড়িয়ে দেওয়ার! বলিউডের শাহেনশার জুহুর বিখ্যাত বাংলো ‘জলসা’ গ্রেনেড বা বোমা দিয়ে উড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দেওয়া হয়েছে বলে খবর। শুধু অমিতাভের বাড়িই নয়, হুমকির তালিকায় রয়েছে গায়ক দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্টস্থল এবং দাদর এলাকার কয়েকটি স্কুলও।

এফপিজে-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, মুম্বইয়ের বৃহন্মুম্বই পুরনিগমের দফতরে একটি হুমকি-ইমেল আসে। মুম্বই পুলিশের ডিসিপি মনীষ কালওয়ানিয়া জানিয়েছেন, ওই ইমেলে অমিতাভ বচ্চনের বাসভবন ‘জলসা’, দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্টের স্থান এবং দাদর এলাকার কয়েকটি স্কুলে হামলার হুমকি দেওয়া হয়েছে। ইমেলে ৩১ অক্টোবর থেকে ২৭ নভেম্বরের মধ্যে হামলা চালানোর কথা উল্লেখ করা হয়েছিল বলে খবর।

হুমকি-ইমেলের খবর সামনে আসতেই তৎপর হয়ে ওঠে মুম্বই পুলিশ। পরিস্থিতির গুরুত্ব বিবেচনা করে অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াডের পাশাপাশি বম্ব স্কোয়াড ও ডগ স্কোয়াডকে কাজে লাগানো হয়। অমিতাভের ‘জলসা’ বাংলো এবং দিলজিৎ দোসাঞ্ঝের কনসার্টস্থলে তল্লাশি চালান নিরাপত্তাকর্মীরা। তবে তল্লাশির পর এখনও পর্যন্ত কোনও সন্দেহজনক বস্তু বা বিস্ফোরক উদ্ধার হয়নি বলে পুলিশ সূত্রে খবর।

কে বা কারা ওই হুমকি-ইমেল পাঠিয়েছে, তা জানার চেষ্টা চলছে। এর নেপথ্যে কোনও বৃহত্তর ষড়যন্ত্র রয়েছে কি না, তা-ও খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। ইমেলের উৎস শনাক্ত করতে সাইবার অপরাধ দমন শাখার সাহায্য নেওয়া হয়েছে। হুমকির সত্যতা যাচাই করার পাশাপাশি সম্ভাব্য বিপদের আশঙ্কা এড়াতে নিরাপত্তা ব্যবস্থাও জোরদার করা হয়েছে।

সাম্প্রতিক সময়ে বিনোদন জগতের তারকাদের ঘিরে একের পর এক হুমকির ঘটনায় নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। এর আগে দিলজিতের দিল্লির কনসার্ট ঘিরে প্রশাসনিক জটিলতা দেখা দিয়েছিল। এবার মুম্বইয়ে তাঁর কনসার্টস্থল এবং অমিতাভ বচ্চনের বাড়িকে নিশানা করে হুমকি-ইমেল আসায় নিরাপত্তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে পুলিশ। তবে হুমকির পিছনে কারা রয়েছে, তা তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত স্পষ্ট নয়।