কলকাতা বিমানবন্দরে ফের বোমাতঙ্ক। শুক্রবার সকালে বিমানবন্দরে মহিলাদের শৌচাগার থেকে একটি টিস্যু পেপার উদ্ধার হয়। তাতে লেখা ছিল, গেট ৩০-এ বোমা রাখা হয়েছে। খবর পেয়েই বিমানবন্দর কর্তৃপক্ষ তৎপর হয়ে ওঠে। ঘটনাস্থলে বিমানবন্দর থানার পুলিশ, কেন্দ্রীয় শিল্প নিরাপত্তা বাহিনী (সিআইএসএফ) এবং বম্ব স্কোয়াড পৌঁছয়। তবে বিমানবন্দর সূত্রের খবর, এখনও পর্যন্ত সন্দেহজনক কোনও কিছু পাওয়া যায়নি।
জানা গিয়েছে, শুক্রবার সকালে বিমানবন্দরে মহিলাদের শৌচাগারে পরিষ্কারের কাজ করছিলেন কর্মীরা। সেই সময়ে তাঁদের নজরে আসে চিরকুটটি। তাতে গেট ৩০-এ তে বোমা রাখা হয়েছে বলে উল্লেখ থাকায় দ্রুত নিরাপত্তারক্ষীদের খবর দেওয়া হয়। এরপরই তাঁরা বিমানবন্দরের বিভিন্ন অংশে তল্লাশি শুরু করেন। বিশেষ করে গেট ৩০-এ-এর দিকে নজর রাখা হয়।
তবে বিস্ফোরক বা সন্দেহজনক কোনও বস্তু উদ্ধার হয়নি। কে বা কারা ওই চিরকুট রেখেছে, তা খতিয়ে দেখছেন তদন্তকারীরা। চিরকুটটি যাঁরা প্রথম দেখতে পান, সেই সাফাইকর্মীদেরও জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।
উল্লেখ্য, গত ৮ অক্টোবরও কলকাতা বিমানবন্দরে বোমাতঙ্ক ছড়িয়েছিল। সেদিন দুপুরে বিমানবন্দরে বোমা রাখা হয়েছে লে দাবি করে একটি হুমকি ইমেল আসে। যে কোনও মুহূর্তে বিস্ফোরণ ঘটতে পারে বলে ইমেলে উল্লেখ করা হয়েছিল। খবর ছড়াতেই যাত্রীদের সতর্ক করা হয়। সেই সঙ্গে সিআইএসএফ বিমানবন্দর চত্বরে তল্লাশি চালায়। নিরাপত্তার স্বার্থে যাত্রীদের সরিয়ে নেওয়ার ব্যবস্থাও করা হয়। তবে দীর্ঘ তল্লাশির পর সেবারও কোনও বিস্ফোরক মেলেনি।
আরও পড়ুন: আসানসোল-ধানবাদ ছুঁয়ে বন্দে ভারত স্লিপার ট্রেন পৌঁছবে দিল্লিতে, কবে থেকে চলবে?
সেই ঘটনার প্রায় ১৫ দিনের মাথায় ফের হুমকি-বার্তা ঘিরে উদ্বেগ ছড়াল বিমানবন্দরে। আগের ইমেলটি কোথা থেকে পাঠানো হয়েছিল, তার পিছনে কারা ছিল, তা এখনও স্পষ্ট নয়। এবারও চিরকুটের উৎস সম্পর্কে নিশ্চিতভাবে এখনও পর্যন্ত কিছু জানা যায়নি। নিরাপত্তার কথা মাথায় রেখে বিমানবন্দরে নজরদারি আরও জোরদার করা হয়েছে। এই ঘটনার নেপথ্যে কারা রয়েছে, তা জানতে তদন্ত চালাচ্ছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ।




