• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 18 October, 2026

‘পশ্চিমবঙ্গে আরও একবার এসআইআর প্রয়োজন’, দুর্গাপুজোর আবহে বার্তা দিলেন শমীক

তাছাড়া বিজেপির রাজ্য সভাপতি আগে দাবি করেছিলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে ভোট চোর না বলে নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির জন্য তাঁকে

‘পশ্চিমবঙ্গে আরও একবার এসআইআর প্রয়োজন’, দুর্গাপুজোর আবহে বার্তা দিলেন শমীক

BJP State President Shamik Bhattacharya Photo-SNS

এসআইআর নিয়ে ইতিমধ্যেই দেশজুড়ে প্রশ্ন উঠে গিয়েছে। ভোট চুরি হয়েছে বলে অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী রাজনৈতিক দলের নেতা-নেত্রীরা। মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের পদত্যাগের দাবিতে দেশজুড়ে আন্দোলন চলছে। বিজেপি বিরোধী রাজনৈতিক দলগুলি এককাট্টা হয়ে গিয়েছে। রাজধানী দিল্লি উত্তাল হয়ে ওঠে বিরোধী দলগুলির নেতা-নেত্রীদের এবং ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) আন্দোলনে। আর দাবি ওঠে, অবিলম্বে বন্ধ করতে হবে অবৈধ এসআইআর। যা নিয়ে মামলাও হয়েছে সুপ্রিম কোর্টে। এই আবহে বিজেপির রাজ্য সভাপতি তথা রাজ্যসভার সাংসদ শমীক ভট্টাচার্য পশ্চিমবঙ্গে আরও একবার এসআইআর প্রয়োজন বলে দাবি করলেন। যা দুর্গাপুজো চলাকালীন বড় খবর।

এদিকে এসআইআর করে অবৈধভাবে পশ্চিমবঙ্গে নাম কাটা হয়েছে বলে বিরোধীদের দাবি। আবার বিধানসভা নির্বাচনের সময় নির্বাচন কমিশন কৌশলে ভোট লুঠ করেছে বলেও অভিযোগ তুলেছেন বিরোধী নেতা-নেত্রীরা। অবিলম্বে পশ্চিমবঙ্গ এবং বিহারের ভোট বাতিল করার জন্য দাবি তুলেছে বিরোধীরা। সেখানে পশ্চিমবঙ্গে নতুন করে এসআইআর করার দাবি তুললেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। যা নিয়ে এখন জোর চর্চা শুরু হয়ে গিয়েছে। সংবাদসংস্থা পিটিআইকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে শমীক ভট্টাচার্য বলেন, ‘পশ্চিমবঙ্গে আরও একবার এসআইআর প্রয়োজন। কারণ, আগেরবার এসআইআর প্রক্রিয়া মসৃণভাবে সম্পন্ন হয়নি।’

অন্যদিকে ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের আগে বলা হয়েছিল অবৈধ বাংলাদেশি এবং রোহিঙ্গা ধরার জন্যই এই এসআইআর করা হচ্ছে। কিন্তু নির্বাচন হয়ে গিয়ে সরকার বদল ঘটে গিয়েও এখনও অবৈধ বাংলাদেশি বা রোহিঙ্গা কত ধরা পড়েছে তা জানায়নি নির্বাচন কমিশন। সেখানে দাঁড়িয়ে পশ্চিমবঙ্গে আর একবার এসআইআর প্রয়োজন বলে যুক্তিও দিয়েছেন বিজেপির রাজ্য সভাপতি। এসআইআর করার ক্ষেত্রে শমীক ভট্টাচার্যের যুক্তি, ‘আগেরবার বহু মানুষের নথি কেড়ে নিয়ে জ্বালিয়ে দেওয়া হয়েছিল, আধিকারিকদের আক্রমণের মুখে পড়তে হয়েছিল। আগে এসআইআর প্রক্রিয়া মসৃণভাবে না হওয়ার জন্য আগের তৃণমূল সরকারের অপশাসনই দায়ী।’

তাছাড়া বিজেপির রাজ্য সভাপতি আগে দাবি করেছিলেন, জ্ঞানেশ কুমারকে ভোট চোর না বলে নির্ভুল ভোটার তালিকা তৈরির জন্য তাঁকে পুরস্কৃত করা উচিত। শান্তিপূর্ণ ভোট করার জন্য তাঁকে ভারতরত্ন দেওয়া উচিত। যদিও তৃণমূল কংগ্রেস অবশ্য নতুন করে এসআইআরের বিরোধিতা করেছে। দুর্গাপুজোর পরই নয়া কর্মসূচি নিচ্ছে বিজেপি। দশমীর পরই সারা দেশজুড়ে এসআইআর নিয়ে বিরোধীদের অপপ্রচারের পাল্টা জবাব দিতে মাঠে নামবে বিজেপি। যদিও এই বিষয়ে বৈঠকও হওয়ার কথা রয়েছে দিল্লিতে। যেখানে দলের সব রাজ্যের সভাপতিদের উপস্থিত থাকতে বলা হয়েছে। ওই বৈঠকেই বিরোধীদের ঠেকাতে রণকৌশল ঠিক করা হবে বলে সূত্রের খবর।