• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 17 October, 2026

দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা, অন্তত আটজনের মৃত্যু, জখম ১৭

এরা সকলেই মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার বাসিন্দা। মধ্যপ্রদেশের রিংগাসে খাটুশ্যাম মন্দির দর্শন করতে যাচ্ছিলেন। রাতে বেতুল জেলা থেকে ছাড়়ে বাসটি

দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়েতে ভয়াবহ পথ দুর্ঘটনা, অন্তত আটজনের মৃত্যু, জখম ১৭

Road Accident Photo-SNS

মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনা। রাজস্থানের কোটায় দিল্লি-মুম্বাই এক্সপ্রেসওয়ে এলাকায় ভয়াবহ বাস দুর্ঘটনায় আলোড়ন পড়ে গিয়েছে। নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে যাত্রীবোঝাই একটি বাস রাস্তার ধারের খাদে উল্টে পড়ে যায়। আর এই দুর্ঘটনার জেরে এখনও পর্যন্ত আটজনের মৃত্যু হয়েছে। আর আহত হয়েছেন অন্তত ১৭ জন। শনিবার সকালেই এই পথ দুর্ঘটনাটি ঘটেছে বলে স্থানীয় সূত্রে খবর। ওই বাসে মোট ২৭ জন যাত্রী ছিলেন। রাজস্থানের কোটা জেলায় যখন এই পথ দুর্ঘটনা ঘটে তখন অধিকাংশ যাত্রী ঘুমিয়েছিলেন। কিন্তু কেমন করে এই পথ দুর্ঘটনা ঘটল তা খতিয়ে দেখছে পুলিশ।

রাজস্থান পুলিশ সূত্রে খবর, মধ্যপ্রদেশ থেকে রাজস্থানের খাটুশ্যাম মন্দিরের উদ্দেশ্যে যাচ্ছিল পুণ্যার্থী বোঝাই একটি বাস। হঠাৎ সেটি ডিভাইডার ভেঙে রাস্তা ছাড়িয়ে প্রায় ২০ ফুট নীচে একটি পয়ঃপ্রণালীতে পড়ে যায়। আর তার জেরে বহু মানুষের মৃত্যু হয়েছে। মৃতদের মধ্যে রয়েছে-অরুণা, বৈষ্ণবী, তৃষা, কৃষ্ণা, অনিতা, ওম, সূর্যবংশী এবং রাজু। এই ঘটনায় ব্যাপক শোরগোল ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। পথ দুর্ঘটনা চোখে পড়তেই ঘটনাস্থলে জড়ো হয়ে যায় স্থানীয় বাসিন্দারা। খবর দেওয়া হয় পুলিশে। শুরু হয় উদ্ধারকাজ। আহতদের উদ্ধার করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন আছেন তাঁরা। এই মর্মান্তিক পথ দুর্ঘটনার খবর পেয়ে হাসপাতালে পৌঁছন জেলা কালেক্টর।

এরা সকলেই মধ্যপ্রদেশের বেতুল জেলার বাসিন্দা। মধ্যপ্রদেশের রিংগাসে খাটুশ্যাম মন্দির দর্শন করতে যাচ্ছিলেন। রাতে বেতুল জেলা থেকে ছাড়়ে বাসটি। শনিবার সকাল ৭টা নাগাদ কারাড়িয়া টোল প্লাজা পার করে সুলতানপুরের দিকে যাওয়ার সময় নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলে বাস। তার জেরে চালক বাস নিয়ে ডিভাইডার ভেঙে একটি নালায় পড়ে। তার আগে একটি দেওয়ালে সজোরে ধাক্কা মারে। ঘটনাস্থলেই চারজন যাত্রীর মৃত্যু হয়। হাসপাতালে নিয়ে যাওয়ার পথে মারা যান আরও চার যাত্রী। দুর্ঘটনাগ্রস্ত বাসটির সামনের অংশ একেবারে দুমড়ে-মুচড়ে গিয়েছে।

তাছাড়া প্রথমে সাতজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়েছিল। পরে মৃতের সংখ্যা বেড়ে আট হয়। আপাতত আহতদের মধ্যে কারও অবস্থা আশঙ্কাজনক নয়। প্রাথমিক তদন্তের পর আশঙ্কা করা গিয়েছে চালকের চোখ লেগে যাওয়ার জেরে এই দুর্ঘটনাটি ঘটে। পুরো ঘটনাটি তদন্ত করে দেখছে পুলিশ। ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার উদ্ধারকারী দল ঘটনাস্থলে গিয়েছিল। অ্যাম্বুলেন্স পরিষেবা ব্যবহার করা হয়েছে। দুমড়ে-মুচড়ে যাওয়া বাসটিকে তুলে আনতে ন্যাশনাল হাইওয়ে অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার একটি ক্রেনও ব্যবহার করা হয়েছে।