• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 13 October, 2026

টানা ছ’বছর বিশ্বের সেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় গৌতম চন্দ্র

স্ট্যানফোর্ডের ২০২৬-এর তালিকায় ‘ক্লিনিক্যাল মেডিসিন’ শাখার ‘ট্রপিক্যাল মেডিসিন’ উপশাখায় চলতি বছরের বিশ্ব-র‌্যাঙ্কিংয়ে তাঁর স্থান ২ ৮০৬৫৮। সংশ্লিষ্ট উপশাখায় তাঁর র‌্যাঙ্ক ৩৯৯। সমগ্র কর্মজীবনের গবেষণার নিরিখে বিশ্ব-র‌্যাঙ্কিংয়ে তিনি ২৫৮৩৮৯তম। উপশাখায় ৫৮৫তম

টানা ছ’বছর বিশ্বের সেরা ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় গৌতম চন্দ্র

Image:FB/ surobharati

গবেষণায় ধারাবাহিক সাফল্য, মশা নিয়ন্ত্রণে নতুন দিশা। আন্তর্জাতিক বিজ্ঞানমহলে ফের স্বীকৃতি পেলেন বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন উপাচার্য তথা প্রাণীবিদ্যার প্রখ্যাত অধ্যাপক গৌতম চন্দ্র। আমেরিকার স্ট্যানফোর্ড বিশ্ববিদ্যালয় ও গবেষণা প্রকাশনা সংস্থা ‘এলসেভিয়ার’-এর যৌথ সমীক্ষায় প্রকাশিত বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর তালিকায় টানা ছ’বছর জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। ২০২১ থেকে ২০২৬, এই ধারাবাহিক সাফল্যে গৌতমের মুকুটে নতুন পালক, গর্বিত বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় তথা বাংলা।

আরও পড়ুন: গেট টপকে যন্তর মন্তরে ঢুকে পড়ল সৌরভ-আশুতোষেরা, এফআইআর দায়ের করতে পারে দিল্লি পুলিশ

রাজ্যে মশা বিশেষজ্ঞ হিসেবে পরিচিত গৌতমের গবেষণা দীর্ঘদিন ধরেই মশাবাহিত রোগ নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিচ্ছে। স্ট্যানফোর্ডের ২০২৬-এর তালিকায় ‘ক্লিনিক্যাল মেডিসিন’ শাখার ‘ট্রপিক্যাল মেডিসিন’ উপশাখায় চলতি বছরের বিশ্ব-র‌্যাঙ্কিংয়ে তাঁর স্থান ২৮০৬৫৮। সংশ্লিষ্ট উপশাখায় তাঁর র‌্যাঙ্ক ৩৯৯। সমগ্র কর্মজীবনের গবেষণার নিরিখে বিশ্ব-র‌্যাঙ্কিংয়ে তিনি ২৫৮৩৮৯তম। উপশাখায় ৫৮৫তম।

তবে স্বীকৃতির পাশাপাশি গবেষণাগারেও অব্যাহত নতুন আবিষ্কারের চেষ্টা। সম্প্রতি ফাইলেরিয়ার বাহক কিউলেক্স মশার লার্ভা ধ্বংসে সক্ষম ‘অ্যালকালিজেনেস ফেকালিস’ (বিইউএমসিএন০১) নামে একটি নতুন ব্যাকটেরিয়া আবিষ্কার করেছেন গৌতম এবং তাঁর দুই গবেষক-ছাত্রছাত্রী ইন্দ্রনীল ভট্টাচার্য ও নন্দিতা চৌধুরী।

আরও পড়ুন: রাহুলের বাড়িতে বিকেলে চা-চক্র, জ্ঞানেশ বিরোধী আন্দোলনের রূপরেখা তৈরিতে বৈঠক

এই গবেষণা নিয়ে তাঁদের প্রবন্ধ প্রকাশিত হয়েছে আন্তর্জাতিক বিজ্ঞান পত্রিকায়। মশা নিয়ন্ত্রণে রাসায়নিকের বিকল্প সম্ভাবনা খুঁজে পাওয়ার ক্ষেত্রে এই আবিষ্কার গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করছেন গবেষক মহল। ৩৫ বছরের কর্মজীবনে গৌতমের তত্ত্বাবধানে ৩৬ জন গবেষক পিএইচডি অর্জন করেছেন। আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি থেকে নতুন আবিষ্কার, গবেষণায় তাঁর দীর্ঘ পথচলায় সাফল্যের ধারাবাহিকতাই ফের সামনে এল।

দেখুন: