মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের (CEC Gyanesh Kumar) ইস্তফার দাবিতে এ বার বিধানসভায় প্রস্তাব আনা হচ্ছে। কেরলের কংগ্রেস সরকার এই প্রস্তাব আনতে চলেছে। দেশের মধ্যে প্রথম রাজ্য হিসেবে এই উদ্যোগ নিতে চলেছে কেরল রাজ্য। সোমবারই বিধাসভায় প্রস্তাবটি পেশ করতে পারেন মুখ্যমন্ত্রী ভিডি সতীশন। শাসকদল কংগ্রেসের পাশাপাশি বিরোধী বাম বিধায়কেরাও প্রস্তাবটির পক্ষে সমর্থন জানাবে বলে মনে করছে সরকার।
প্রস্তাবে তিনটি প্রধান দাবি রাখা হবে। প্রথমত, জ্ঞানেশ কুমারকে (CEC Gyanesh Kumar) মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের পদ থেকে সরানোর জন্য কেন্দ্রীয় সরকারের কাছে আবেদন জানানো হবে। দ্বিতীয়ত, এসআইআর প্রক্রিয়া যাঁদের নাম বাদ গিয়েছে, সেই সব বৈধ ভোটারদের নাম পুনরায় ভোটার তালিকায় তোলার দাবি জানানো হবে। পাশাপাশি এসআইআরের ত্রুটিগুলি সংশোধনের কথাও বলা হবে। তৃতীয়ত, মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC Gyanesh Kumar) ও অন্যান্য নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত আইন সংশোধন করে নিয়োগের প্যানেলে সুপ্রিম কোর্টের প্রধান বিচারপতিকে ফিরিয়ে আনার দাবি তোলা হবে।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার (CEC Gyanesh Kumar) সংক্রান্ত আইনে সংশোধন আনা হয়। নির্বাচন কমিশনারদের নিয়োগ সংক্রান্ত প্যানেল থেকে প্রধান বিচারপতিকে বাদ দেওয়া হয়েছিল। বর্তমানে ওই প্যানেলে রয়েছেন প্রধামন্ত্রী, তাঁর মনোনীত এক জন কেন্দ্রীয় মন্ত্রী এবং লোকসভার বিরোধী দলনেতা। বিরোধীদের অভিযোগ, নির্বাচন কমিশনার নিয়োগের ক্ষেত্রে আপত্তি থাকলেও সংসদে সংখ্যাগরিষ্ঠতার জোরে কেন্দ্রীয় সরকারের সিদ্ধান্তই প্রাধান্য পাচ্ছে।
আরও পড়ুন: হরমুজ প্রণালীতে ফের জাহাজে হামলা, নিখোঁজ দুই ভারতীয় নাবিক, কড়া বার্তা কেন্দ্রের
১৪০ আসনের কেরল বিধানসভায় কংগ্রেসর নেতৃত্বাধীন ইউনাইটেড ডেমোক্র্যাটিক ফ্রন্ট(ইউডিএফ)-এর ১০২ জন বিধায়ক রয়েছেন। বিরোধী বাম গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট (এলডিএফ)-এর বিধায়ক সংখ্যা ৩৫। বিজেপির বিধায়ক রয়েছেন তিন জন। ফলে বামেদের সমর্থন পাওয়ার ব্যাপারে আশাবাদী কংগ্রেস সরকার। ২০২৫ সালে সেপ্টেম্বরে এসআইআর বিরোধিতা করে বিধানসভায় প্রস্তাব পাশ করা হয়। সেই সময় বাম সরকার ক্ষমতা ছিল। সেই প্রস্তাবে সমর্থন জানিয়েছিল সেই সময়ের বিরোধী দল কংগ্রেস।
দেখুন:




