• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 9 October, 2026

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১, চলছে ম্যারাথন জেরা ও তদন্ত

তাছাড়া তদন্ত যে এখনও শেষ হয়নি সেটা জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে। আর কারা জড়িত সেটার জানার জন্যই জেরা চলছে। যে যুবককে

বিকাশরঞ্জনের বাড়িতে হামলার ঘটনায় গ্রেপ্তার ১, চলছে ম্যারাথন জেরা ও তদন্ত

Bikash Ranjan Bhattacharya Photo-SNS

বর্ষীয়ান সিপিএম নেতা তথা আইনজীবী বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়িতে হামলা হয়েছিল গতকাল। তাঁর বাড়ি লক্ষ্য করে এলোপাথাড়ি ইট ছোঁডা হয়েছিল বলে অভিযোগ। এমনকী মদের বোতল ছুঁড়ে জানালার কাচ ভাঙা হয় বলে অভিযোগ উঠেছিল। হুমকি এবং গালিগালাজ করা হয়েছিল বলেও অভিযোগ সিপিএম নেতার। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে এই ঘটনায় ‘হিন্দুত্ববাদী গুন্ডাদের’ দায়ী করেছিলেন বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্য। রাজ্য-রাজনীতিতে ঝড় উঠেছিল। তবে এবার বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বিরুদ্ধে তপসিয়া এবং গড়ফা থানায় এফআইআর দায়ের করল হিন্দুত্ববাদী সংগঠন। ইতিমধ্যেই একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। শুক্রবার তাঁকে তোলা হবে আদালতে।

এদিকে এই বিষয়টির জল গড়ায় কলকাতা হাইকোর্টে। অভিযুক্তকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে বলে শুক্রবার কলকাতা হাইকোর্টের প্রধান বিচারপতি রবীন্দ্র ভি ঘুগের ডিভিশন বেঞ্চে জানালেন রাজ্যের অতিরিক্ত অ্যাডভোকেট জেনারেল বিল্লদল ভট্টাচার্য। তবে ঘটনার পর বিকাশবাবু সংবাদমাধ্যমে জানিয়েছিলেন, ভোর ৫টা নাগাদ ‘হিন্দুত্ববাদী গুন্ডারা’ তাঁর পূর্ব যাদবপুর থানা এলাকার বাড়িতে হামলা চালায়। মোটরবাইকে চেপে এসে বাড়ির কাচের জানালা লক্ষ্য করে মদের বোতল ছুঁড়তে থাকে কয়েকজন। আর বিকাশরঞ্জনের উদ্দেশে অশ্রাব্য গালিগালাজ করতে থাকে তারা। এই হামলা থেকে তাঁর বাড়ির পরিচারিকা অল্পের জন্য রক্ষা পেয়েছেন। মোটরবাইকের নম্বর প্লেট কালো কাপড় দিয়ে ঢাকা ছিল। তাই কাউকে চেনা সম্ভব হয়নি। সিপিএম নেতা বলেছিলেন, ‘হঠাৎ করে বাড়ি লক্ষ্য করে একের পর এক ইট ছুঁড়তে থাকে দুষ্কৃতীরা। ভেঙে দেওয়া হয় বাড়ির জানালার কাচ। একেবারে পরিকল্পনা করে এই হামলার ঘটনা ঘটানো হয়েছে। তবে এই ঘটনা ঘটিয়ে আমাকে ভয় দেখানো যাবে না।’

অন্যদিকে গত জুন মাসে বিকাশরঞ্জন ভট্টাচার্যের বাড়ির সামনে ‘পর্ক উৎসব’ আয়োজন করেছিল হিন্দুত্ববাদীরা। এই যাদবপুরে তৃণমূল কংগ্রেসের প্রাক্তন বিধায়কের বাড়িতেও হামলা চালানো হয়েছিল। এই গোটা ঘটনা নিয়ে বিকাশ তোপ দেগেছিলেন, ‘হিন্দুত্ববাদীরা এসব করেছে। ওরা সব মায়ের সন্তান। ওরা আমাকে নাকি শিক্ষা দেবে। এভাবে শিক্ষা দেওয়ার চেষ্টা করছে। যাঁরা গরিব মানুষের হয়ে লড়াই করছেন, তাঁদের উপরেই হামলা করা হচ্ছে।’ তবে এবার যাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে তাকে দফায় দফায় জেরা করছে পুলিশ। আগের ঘটনার সঙ্গে অভিযুক্ত জড়িত ছিল কিনা তা জানার চেষ্টা চলছে।

তাছাড়া তদন্ত যে এখনও শেষ হয়নি সেটা জানা গিয়েছে পুলিশ সূত্রে। আর কারা জড়িত সেটার জানার জন্যই জেরা চলছে। যে যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ তার নাম বাপ্পা গুছাইত। নরেন্দ্রপুরের সাহা কালিবাড়ি এলাকার বাসিন্দা। পুলিশ সূত্রে খবর, এই ঘটনার তদন্ত শুরু করা হয়েছে। ধৃতকে জেরা করা হলেই ঘটনার নেপথ্যে কে বা কারা আছে সেটা স্পষ্ট হবে বলে মনে করা হচ্ছে।