• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 6 October, 2026

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার, টোটোয় চেপে নন্দীগ্রামে ভোটদান শুভেন্দুর

মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর দুই কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিধায়ক শূন্য এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে।

মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে প্রথমবার, টোটোয় চেপে নন্দীগ্রামে ভোটদান শুভেন্দুর

Photo: Statesman

জ্যের দুই বিধানসভা কেন্দ্র নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরে উপনির্বাচন হচ্ছে। মঙ্গলবার নন্দীগ্রামে ভোট দিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। প্রতিবারের মতো এবারও টোটোয় চেপে ভোট দিতে আসেন তিনি। এদিন সকালে নন্দনায়কবাড় প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ৭৯ নম্বর বুথে তিনি ভোট দেন। এখানে এর আগে তিনি অনেকবার ভোট দিয়েছেন। তবে বিরোধী দলনেতা হিসেবে। এ বছর প্রথম রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী হিসেবে তিনি ভোট দিলেন।

মঙ্গলবার কনভয় থেকে নেমে টোটোয় চেপে শুভেন্দু অধিকারী ভোটগ্রহণ কেন্দ্রে পৌঁছন। পৌনে ১২টা নাগাদ নন্দনায়কবাড় বুথে তিনি ভোট দিতে আসেন। ভোট দেওয়ার পর বুথে দাঁড়িয়ে বিজেপি প্রার্থী হাসিরানি রথের সঙ্গে কথা বলেন মুখ্যমন্ত্রী। নির্বাচন কমিশনের আইন মেনে ভোটগ্রহণ কেন্দ্র থেকে বেরিয়ে ২০০ মিটার পর্যন্ত শুভেন্দু অধিকারী ভোট নিয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। ২০০ মিটার পথ তিনি নিজেই হেঁটে আসেন।

এরপরে মুখ্যমন্ত্রী সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বলেন, ‘উপনির্বাচনে সাধারণত কম ভোট পড়ে। তবে নন্দীগ্রামে শান্তিপূর্ণ ভোট হচ্ছে। আমি মুখ্যমন্ত্রী সরকারি নিরাপত্তা পাই। কিন্তু আইন সকলের জন্য সমান। আমি ভোট দেওয়ার পর ভাড়া ঘরে থাকতে পারি। বুথের বাইরে যাওয়া, প্রচার করার সুযোগ নেই। নন্দীগ্রামের একজন ভোটার হিসেবে নন্দীগ্রামের মানুষের সঙ্গে আমার দীর্ঘদিনের সম্পর্ক।’

তিনি বলেন, ‘আমি বলতে পারি, ২০১৬ সালে আমি সব থেকে বেশি ভোটে জিতেছিলাম, ৮২ হাজার। উপনির্বাচনে ৮৫ শতাংশ মানুষ ভোট দেবেন। ৯০ শতাংশ হলে তো ভালোই হয়। ভোট চলছে। ফলাফল নিয়ে কিছু বলব না। আমার বিশ্বাস এবারও রেকর্ড ভোটে জিতবে বিজেপি। মানুষ ফের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী ও রাজ্য সরকারের উপরে আস্থা রাখবে।’

শুভেন্দু অধিকারী আরও বলেন, ‘নিয়ম অনুযায়ী দুটো বিধানসভা রাখতে পারি না। ভবানীপুর রেখেছি। কিন্তু নন্দনায়কবাড় বা নন্দীগ্রামের প্রতি আমার অঙ্গীকার, আমৃত্যু নন্দনায়কবাড় বুথেরই ভোটার তালিকায় আমার নাম থাকবে।’ ভবানীপুরের আসন ছাড়া নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘আমি ভবানীপুর ছাড়লে আরেকজন ভোটে লড়তেন। তাই ছাড়িনি।’

এরপরেই হুমায়ুন কবীরের গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘আজ নির্বাচনী বিধিও রয়েছে। বিধিভঙ্গের জন্য নওদার বিধায়ক গ্রেপ্তার হয়েছেন।’ উল্লেখ্য, মঙ্গলবার সকাল ৭টা থেকে নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর দুই কেন্দ্রে কড়া নিরাপত্তার মধ্যে ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে। বিধায়ক শূন্য এই দুই কেন্দ্রে উপনির্বাচন হচ্ছে।