• facebook
  • twitter
  • youtube
Monday, 5 October, 2026

ডেঙ্গিতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল কলকাতা

ডেঙ্গির দাপট বাড়লেও তার টিকা কিউ ডেঙ্গা আগামী বছরেই বাজারে আসতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আইসিএমআর-এর তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে টিকার তৃতীয় দফার ট্রায়াল চলছে। দ্বিতীয় দফার ট্রায়ালের অর্ধেক রিপোর্ট এসেছে। রিপোর্টে ভাল ফল মিলেছে।

ডেঙ্গিতে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে আক্রান্তের সংখ্যা, দ্বিতীয় স্থানে উঠে এল কলকাতা

File photo

পুজোর মুখে ভয় ধরাচ্ছে ডেঙ্গি। স্বাস্থ্য দপ্তরের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, শনিবার পর্যন্ত রাজ্যে ডেঙ্গিতে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে সাড়ে ৮ হাজার। রাজ্যে দক্ষিণবঙ্গের জেলাগুলিতে ডেঙ্গির প্রকোপ সবথেকে বেশি। আক্রান্তের সংখ্যার দিক থেকে প্রথমে রয়েছে মুর্শিদাবাদ। তারপরেই রয়েছে কলকাতা। তৃতীয়তে রয়েছে নদীয়া ও দক্ষিণ ২৪ পরগনা।

বিশেষজ্ঞরা জানাচ্ছেন, ডেঙ্গি ভাইরাসের মোট ৪টি সেরোটাইপ রয়েছে। ২০২৪ সালে রাজ্যে সেরোটাইপ ৩-এর প্রকোপ বেশি পড়েছিল। এরপর ২০২৫ সালে সেরোটাইপ ২ বেশি ভয়ঙ্কর হয়ে উঠেছিল। চলতি বছর শুরু থেকেই সেরোটাইপ ২ ও সেরোটাইপ ৩ দাপট দেখাতে শুরু করেছে। চিকিৎসকরা জানাচ্ছেন, চারটি সেরোটাইপের মধ্যে সেরোটাইপ ২ বেশি বিপজ্জনক।

সেরোটাইপ ২-এ আক্রান্ত হলে কী হয় এই সেরোটাইপে আক্রান্ত হলে ডেঙ্গি শক সিনড্রোম ও ডেঙ্গি হেমারেজিক ফিভারের ঝুঁকি বেশি থাকে। জেলা স্বাস্থ্য দপ্তর সূত্রের খবর, ডেঙ্গিতে নদীয়ার তেহট্ট-১ ব্লকে পরিস্থিতি সবচেয়ে ভয়ঙ্কর। সেখানে ১৪১ জন ডেঙ্গিতে আক্রান্ত হয়েছেন। রানাঘাট-২ ব্লকে আক্রান্ত হয়েছেন ৫৬ জন। অন্যদিকে, চাকদহ পুর এলাকায় আক্রান্তের সংখ্যা ৭৫।

গত বছর এই সময়ে নদীয়ায় আক্রান্তের সংখ্যা ছিল ৪১৯। চলতি বছরে সেখানে এখনও পর্যন্ত তা দাঁড়িয়েছে ৬০৫-এ। তবে ডেঙ্গির দাপট বাড়লেও তার টিকা কিউ ডেঙ্গা আগামী বছরেই বাজারে আসতে পারে বলে জানা গিয়েছে। আইসিএমআর-এর তরফে জানানো হয়েছে, বর্তমানে টিকার তৃতীয় দফার ট্রায়াল চলছে। দ্বিতীয় দফার ট্রায়ালের অর্ধেক রিপোর্ট এসেছে। রিপোর্টে ভাল ফল মিলেছে।

আরও পড়ুন: আইনজীবিদের হেনস্থা ও মারধরের প্রতিবাদে ৬ ঘণ্টা অবরোধ! ব্যাঙ্কশালে বিক্ষোভ, যানজটে স্তব্ধ মধ্য কলকাতা

আইসিএমআর-এর ডিজি রাজীব বহেল জানিয়েছেন, তৃতীয় দফার ট্রায়াল শেষ হওয়ার পর রিপোর্ট ভালো এলে আগামী বছরই বাজারে আসতে পারে ডেঙ্গির টিকা। এদিকে ডেঙ্গির এই প্রতিষেধক বাণিজ্যিক ভাবে ব্যবহারের অনুমোদন দিয়েছে ড্রাগস কন্ট্রোলার জেনারেল অফ ইন্ডিয়া।