সদ্যোজাতদের দ্রুত জন্ম শংসাপত্র, আধার এবং তফসিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত শিশুদের জাতিগত শংসাপত্র তৈরির লক্ষ্যে মালবাজারে শুরু হল ‘প্রজেক্ট পরিচয়’। শনিবার মালবাজার মহকুমাশাসকের কার্যালয়ের কনফারেন্স হলে পাইলট প্রকল্পটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন জলপাইগুড়ির জেলাশাসক অদিতি চৌধুরী।
প্রশাসন, স্বাস্থ্য দপ্তর এবং ভারতীয় ডাক বিভাগের যৌথ উদ্যোগে এই প্রকল্পটি পরিচালিত হবে। এর ফলে নবজাতকের প্রয়োজনীয় নথি তৈরির জন্য অভিভাবকদের একাধিক সরকারি দপ্তরে আলাদা করে ছুটতে হবে না। একই জায়গা থেকে দ্রুত প্রয়োজনীয় নথি তৈরির ব্যবস্থা করা হবে। আপাতত মালবাজার সুপার স্পেশালিটি হাসপাতালে এই পরিষেবা চালু হয়েছে। পরবর্তী ধাপে মহকুমার অন্যান্য হাসপাতালেও প্রকল্পটি চালু করা হবে বলে প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাল ও নাগরাকাটার বিধায়ক শুক্রা মুন্ডা ও পুনা ভেংরা, মালবাজারের মহকুমাশাসক উৎকর্ষ খান্ডাল-সহ প্রশাসনের অন্যান্য আধিকারিক। মহকুমাশাসকের উদ্যোগে তৈরি এই পাইলট প্রকল্পটি প্রশাসনিক মহলে গুরুত্ব পেয়েছে।
আরও পড়ুন: পুজোর মাসে অর্ধেক দামে মিলবে চিনি-ময়দা-সুজি, বড় ঘোষণা মুখ্যমন্ত্রীর
চা-বাগান অধ্যুষিত মালবাজার মহকুমার বিস্তীর্ণ এলাকায় তফসিলি জাতি ও উপজাতিভুক্ত বহু মানুষের বসবাস। প্রশাসনের মতে, নবজাতকের জন্ম শংসাপত্র, আধার এবং জাতিগত শংসাপত্র তৈরির ক্ষেত্রে অনেক সময় অভিভাবকদের নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়। সেই সমস্যা কমাতেই এক জায়গা থেকে দ্রুত পরিষেবা দেওয়ার উদ্যোগ।




