• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 3 October, 2026

যাদবপুরে বামেদের কনভেনশন ঘিরে বিতর্ক, বাইরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিয়ে আপত্তি এবিভিপির

শিক্ষা ও একাধিক নীতিগত দাবিকে সামনে রেখে আগামী ৫ অক্টোবর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কনভেনশনের আয়োজন করেছে

যাদবপুরে বামেদের কনভেনশন ঘিরে বিতর্ক, বাইরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব নিয়ে আপত্তি এবিভিপির

শিক্ষা ও একাধিক নীতিগত দাবিকে সামনে রেখে আগামী ৫ অক্টোবর যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে কনভেনশনের আয়োজন করেছে বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলি। ‘জেনজি আন্দোলন: প্রজন্ম ও প্রতিরোধের ঐক্য’ নামে এই কর্মসূচিকে ঘিরে ইতিমধ্যেই সরগরম বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র রাজনীতি। কনভেনশনে বাইরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের উপস্থিতি নিয়ে প্রশ্ন তুলে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়ার কথা জানিয়েছে বিজেপির ছাত্র সংগঠন এবিভিপি।

আগামী সোমবার দুপুর ২টোয় যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের কেপি বসু মেমোরিয়াল হলে এই কনভেনশন হওয়ার কথা। আয়োজকদের প্রকাশিত পোস্টারে একাধিক দাবির কথা উল্লেখ করা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে নয়া শিক্ষানীতি ২০২০ বাতিল, জাতীয় পরীক্ষা সংস্থা বাতিল, স্কুল ও শিক্ষা ব্যবস্থা রক্ষা, বিশেষ নিবিড় সংশোধন বাতিল এবং ভারতীয় পরিসংখ্যান প্রতিষ্ঠান সংক্রান্ত বিল বাতিলের দাবি।

কনভেনশনে বক্তা হিসেবে থাকার কথা সর্বভারতীয় ছাত্র সংগঠন আইসার সভানেত্রী নেহা, এসএফআইয়ের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক সৃজন ভট্টাচার্য-সহ বিভিন্ন বামপন্থী ও ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্বের। সিজেপির প্রতিনিধিরও উপস্থিত থাকার কথা রয়েছে। এছাড়াও যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষক সংগঠনের সম্পাদক আফরিনের উপস্থিত থাকার কথা। উল্লেখ্য, অতীতে বালিগঞ্জ বিধানসভা কেন্দ্র থেকে নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেছিলেন আফরিন।

এই কনভেনশন ঘিরে আপত্তি জানিয়েছে এবিভিপি। যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয় এবিভিপি ইউনিটের সভাপতি নিখিল দাসের বক্তব্য, ছাত্র সংগঠনগুলি নিজেদের মতো কর্মসূচি করতেই পারে। তবে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বাইরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের নিয়ে এসে অনুষ্ঠান করার ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় ও আদালতের নির্দিষ্ট নির্দেশিকা রয়েছে বলে দাবি তাঁর।

নিখিলের বক্তব্য, বাইরের ব্যক্তিদের নিয়ে এসে কী ভাবে এই অনুষ্ঠান আয়োজন করা হচ্ছে এবং এর অনুমতি কে দিয়েছে, তা জানতে সোমবার বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে চিঠি দেওয়া হবে। তবে এই কর্মসূচির পাল্টা কোনও কর্মসূচি আপাতত এবিভিপির নেই বলেও জানিয়েছেন তিনি।

এর আগে যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের ত্রিগুণা সেন অডিটোরিয়ামে ‘হরিপদ ভারতী স্মৃতিরক্ষা সমিতি’র উদ্যোগে একটি জাতীয়তাবাদী সম্মেলনকে কেন্দ্র করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছিল। সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য জানিয়েছিলেন, আদালতের নির্দেশ ও বিশ্ববিদ্যালয়ের নিয়ম মেনেই অনুষ্ঠান এবং অডিটোরিয়াম বুকিংয়ের বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।

এবার বামপন্থী ছাত্র সংগঠনগুলির কনভেনশনকে ঘিরে ফের বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরে বাইরের রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বদের প্রবেশ ও অনুষ্ঠান আয়োজনের বিষয়টি সামনে এসেছে। সোমবার এবিভিপির চিঠির পর বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন কী পদক্ষেপ করে, এখন সেদিকেই নজর।