তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনোরঞ্জন পাটোয়ারীকে প্রকাশ্য রাস্তায় ফেলে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয়েছে বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় অভিযোগের তির ওঠে বিজেপির বিরুদ্ধে। এই ঘটনার জেরে ব্যাপক আলোড়ন ছড়িয়ে পড়েছে গোটা এলাকায়। কারণ দুর্গাপুজোর অনুমতি চাইতে থানায় যাচ্ছিলেন তিনি। থানায় যাওয়ার পথেই তৃণমূল পরিচালিত বারুইপুরের বৃন্দাখালি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান মনোরঞ্জন পাটোয়ারীকে প্রকাশ্য রাস্তায় ফেলে লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারধর করা হয় বলে অভিযোগ উঠল বিজেপির বিরুদ্ধে।
স্থানীয় সূত্রে খবর, বুধবার বারুইপুর থানার অন্তর্গত বৃন্দাখালি গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায় এই মারধরের ঘটনা ঘটে। দুর্গাপুজোর অনুমতি চাওয়ার জন্য বারুইপুর থানায় যাচ্ছিলেন ওই তৃণমূল প্রধান। তখনই রাস্তায় তাঁকে ঘিরে ধরে বিজেপির কিছু লোকজন বলে অভিযোগ। আর লাঠি দিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় তাঁকে বেধড়ক মারধর করা হয়। লাঠির প্রচণ্ড প্রহারে রাস্তায় রক্তাক্ত অবস্থায় লুটিয়ে পড়েন তিনি। আহত অবস্থায় তখন পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে নিয়ে যান। এখন সেখানই তিনি চিকিৎসাধীন।
বারুইপুর থানার অন্তর্গত এলাকায় এই ঘটনা নিয়ে এখন আতঙ্কের বাতাবরণ তৈরি হয়েছে। হামলাকারীদের মারে প্রধানের বাঁ হাত ভেঙে গিয়েছে এবং বাঁ পায়েও গুরুতর চোট লেগেছে বলে অভিযোগ। আশঙ্কাজনক অবস্থায় স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে বারুইপুর মহকুমা হাসপাতালে ভর্তি করেছেন। কোনও কথা বলার সুযোগ না দিয়েই লাঠি দিয়ে প্রকাশ্য রাস্তায় মনোরঞ্জন পাটোয়ারীর উপর চড়াও হয়ে বেধড়ক মারধর করে হামলাকারীরা বলে অভিযোগ। এই ঘটনায় তদন্তে নেমেছে বারুইপুর থানার পুলিশ। আক্রান্ত প্রধানের পরিবারের পক্ষ থেকে ইতিমধ্যেই বারুইপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।
তাছাড়া বিজেপির পক্ষ থেকে এই মারধরের অভিযোগ সম্পূর্ণ অস্বীকার করা হয়েছে। বিজেপির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, ওই তৃণমূল প্রধান এলাকায় বহু বিজেপি কর্মীর উপর আগে নানাভাবে অত্যাচার চালিয়েছে। এই ঘটনায় যারা জড়িত তাদের বিরুদ্ধে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নিক। তৃণমূলের পক্ষ থেকে অবশ্য বিজেপিকেই দায়ী করা হচ্ছে।




