• facebook
  • twitter
  • youtube
Friday, 11 September, 2026

মদ খাইয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণ করার অভিযোগ, তুলকালাম নদিয়ায়, গ্রেপ্তার দুই যুবক

তাছাড়া এই ঘটনার পর নির্যাতিতা বধূ মানসিক এবং শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় বিষয়টি প্রকাশ্যে

মদ খাইয়ে গৃহবধূকে গণধর্ষণ করার অভিযোগ, তুলকালাম নদিয়ায়, গ্রেপ্তার দুই যুবক

Housewife Gangrape Photo-Representative

এক গৃহবধূকে জোর করে মদ খাইয়ে অচেতন করে দুই যুবক বলে অভিযোগ। তার পর ওই বধূকে গণধর্ষণ করা হয় বলে অভিযোগ উঠল দুই যুবকের বিরুদ্ধে। শুক্রবার এই ঘটনা প্রকাশ্যে আসতেই আলোড়ন পড়ে গিয়েছে নদিয়ার কল্যাণীর আনন্দনগর এলাকায়। ওই দুই যুবক বেশ কয়েকদিন আগে থেকেই ওই গৃহবধূকে ধর্ষণ করার ছক কষেছিল বলে জানা গিয়েছে। প্রায়ই ওই বধূকে কুপ্রস্তাব দিত তারা বলে অভিযোগ। কিন্তু তিনি সেসব এড়িয়ে যেতেন। কুপ্রস্তাবে কাজ না হওয়ায় গণধর্ষণ করার ছক কষে ওই দুই যুবক বলে অভিযোগ।

পুলিশ সূত্রে খবর, ধৃত দুই যুবকের নাম বাপ্পা শিকদার ও পলাশ দাস। অভিযুক্তদের বিরুদ্ধে গণধর্ষণের অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। ওই বধূ একাই থাকতেন। স্বামী কর্মসূত্রে বাইরে থাকেন। সেই সুযোগটাই কাজে লাগায় ওই দুই যুবক। অভিযুক্ত দুই যুবক ওই বধূকে প্রথমে একসঙ্গে মদ্যপান করার প্রস্তাব দিয়েছিল। সেই প্রস্তাব গৃহবধূ সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেন। এমনকী এসব কথা বলার জন্য প্রতিবাদও করেছিলেন। তখন প্রতিশোধ নিতেই গণধর্ষণের পরিকল্পনা করে তারা। তারপর ওই বধূ যখন স্নান করতে গিয়েছিলেন তখন পিছন থেকে বাড়িতে ঢুকে জাপটে ধরে মদ খাইয়ে দেয় তারা। অচৈতন্য হয়ে পড়লে ওই বধূকে লাগাতার ধর্ষণ করা হয়।

স্থানীয় সূত্রে খবর, নির্যাতিতা মহিলা বাড়িতে একাই বসবাস করেন। ওই গৃহবধূ স্নান করতে যাওয়ার সময় তাঁকে মদ খাওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু তাতে গর্জে ওঠেন তিনি। এরপর স্নানের জন্য বাথরুমে ঢুকতেই কৌশলে বাড়িতে ঢুকে পড়ে তারা। এরপর বাথরুম থেকে টেনে ঘরে নিয়ে গিয়ে জোর করে মদ খাইয়ে নেশাগ্রস্ত করে দেয় অভিযুক্তরা। তার পর বাপ্পা শিকদার ওই বধূকে টেনে ঘরে নিয়ে যায়। সেখানে বাপ্পা এবং তার বন্ধু পলাশ দাস দু’জনে মিলে গৃহবধূকে গণধর্ষণ করে বলে অভিযোগ।

তাছাড়া এই ঘটনার পর নির্যাতিতা বধূ মানসিক এবং শারীরিকভাবে ভেঙে পড়েন। পরে স্থানীয় বাসিন্দাদের সহযোগিতায় বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে এবং পুলিশের দ্বারস্থ হয় পরিবার। পুলিশ অভিযোগ পেয়েই অভিযুক্ত দু’জনকে গ্রেপ্তার করেছে। বাপ্পা শিকদারের বাড়ি ডেঙ্গুরপাড়া এবং পলাশ দাসের বাড়ি আনন্দনগর এলাকায়। বধূর লিখিত অভিযোগের ভিত্তিতে অভিযুক্ত দুই যুবকের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট ধারায় মামলা দায়ের করে তদন্ত শুরু করেছে কল্যাণী থানার পুলিশ।