আর এক মাস পরেই বাঙালির প্রাণের উৎসব দুর্গাপুজো। ইতিমধ্যেই শহরজুড়ে তার প্রস্তুতি শুরু হয়ে গিয়েছে। পুজো যত এগিয়ে আসবে, ততই বাড়বে বাজার-দোকানে ভিড়। উৎসবের সেই ভিড়ে অগ্নিকাণ্ডের আশঙ্কা যাতে বিপদ ডেকে না আনে, তার জন্য আগাম প্রস্তুতি শুরু করল দমকল। কলকাতার বড় বড় শপিং মলে শুরু হল বিশেষ পরিদর্শন (Fire service inspects)। খতিয়ে দেখা হল অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা, পাশাপাশি জরুরি পরিস্থিতিতে কর্মীদের প্রস্তুতিও।
দমকল সূত্রে খবর, পুজোর আগে কলকাতা শহরের প্রায় ২৯টি বড় শপিং মলে এই পরিদর্শন (Fire service inspects) চলবে। বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকটি মলে গিয়ে দমকল আধিকারিকরা কথা বলেন কর্মী ও ফ্লোর ম্যানেজারদের সঙ্গে। শুধু যন্ত্রপাতি রয়েছে কি না, তা দেখেই থামেননি তাঁরা। আগুন লাগলে সেগুলি সময়মতো কীভাবে ব্যবহার করা হবে, কর্মীরা তা জানেন কি না, সেটাও পরীক্ষা করা হয়।
আরও পড়ুন: দু’দিনে ৬৫! কলকাতায় আরও ২৫ হোটেল-রেস্তরাঁর ফুড লাইসেন্স বাতিল, তালিকায় চাঁ ওয়া-নিউ আলিয়া
পরিদর্শনের শুরুতেই আধিকারিকরা (Fire service inspects) যান মলের বেসমেন্টে। ঘুরে দেখেন ফায়ার ফাইটিং সিস্টেমের কন্ট্রোল রুম। পরীক্ষা করা হয় মোটর, অ্যানাউন্সমেন্ট ব্যবস্থা-সহ একাধিক পরিকাঠামো। আগুন লাগলে ঘোষণা করে ক্রেতাদের দ্রুত নিরাপদে বের করে দেওয়ার ব্যবস্থা কতটা কার্যকর, তাও খতিয়ে দেখা হয়। পরীক্ষা হয় হোসপাইপ এবং জলের চাপ। কর্মীরা অগ্নিনির্বাপণ যন্ত্র ঠিকমতো চালাতে পারেন কি না, তারও পরীক্ষা (Fire service inspects) নেয় দমকল কর্তৃপক্ষ।
দমকল আধিকারিক নিহার রায় বলেন, ‘আমাদের পরিদর্শন চলতেই থাকে। তবে দুর্গাপুজো সামনে বলে এটি বিশেষ পরিদর্শন। যেখানে মানুষের ভিড় হয়, সেখানে অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা কেমন, তা আমরা দেখছি। কর্মীরা প্রশিক্ষণ পেয়েছেন কি না, সেটিও দেখা হচ্ছে।’ তাঁর দাবি, সংশ্লিষ্ট মলগুলিতে পরিকাঠামো মোটের উপর ঠিকই রয়েছে। তবে এসি-র বিকল্প ব্যবস্থা রাখার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
আরও পড়ুন: ECL কর্মীর বাড়ি-অফিসে CBI হানা! আটক ছেলে
এক মলের ম্যানেজার হিমাদ্রিশেখর চট্টোপাধ্যায় জানিয়েছেন, সেখানকার কর্মীরা প্রশিক্ষিত এবং নিয়মিত অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়(Fire service inspects)। প্রতি মাসে মক ড্রিলও হয়। দমকলের পরামর্শ অনুযায়ী আরও নজরদারি বাড়ানোর আশ্বাস দিয়েছেন তিনি।




