দিল্লির চাণক্যপুরীর মোতি বাগে একটি ছতলা ছাত্রদের মেসবাড়ি ভেঙে(Delhi old house Collapsed) মৃত্যু কমপক্ষে ৬ জনের। আরও ১১ জন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁরা সবাই হাসপাতালে ভর্তি। ধ্বংসস্তূপের নিচে আরও কেউ আটকে থাকতে পারেন বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। ফলে এখনও উদ্ধারকাজ চলছে। এই ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী।
প্রধানমন্ত্রী লিখেছেন, ‘দিল্লির সত্য নিকেতনে একটি ভবন ধসে পড়ার ঘটনা অত্যন্ত বেদনাদায়ক। যাঁরা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থলে কাজ করছে এবং দুর্ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্তদের সাহায্য করছে।
The collapse of a building at Satya Niketan, Delhi is distressing. Condolences to those who lost their loved ones. Praying for the speedy recovery of the injured. Authorities are working at the site and assisting those affected in the mishap: PM @narendramodi
— PMO India (@PMOIndia) September 6, 2026
শোকপ্রকাশ করেছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মুও। এক্স হ্যান্ডেলে তিনি লিখেছেন, ‘দিল্লিতে বাড়ি ধসে পড়ার ঘটনায় আমি গভীরভাবে শোকাহত। এই মর্মান্তিক ঘটনায় যাঁরা প্রিয়জনদের হারিয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমি আমার আন্তরিক সমবেদনা জানাচ্ছি। আহতদের দ্রুত আরোগ্য কামনা করছি।‘
दिल्ली में एक इमारत गिरने की दुर्घटना से मुझे बहुत दुख पहुँचा है। इस हादसे में अपने प्रियजनों को खोने वाले परिवारों के प्रति मेरी गहरी संवेदनाएँ। मैं घायलों के शीघ्र स्वस्थ होने की कामना करती हूँ।
— President of India (@rashtrapatibhvn) September 6, 2026
সূত্রের খবর, ভেঙে পড়া মেস বাড়িতে(Delhi old house Collapsed) বিভিন্ন রাজ্য থেকে আসা ছাত্রছাত্রী থাকতেন। দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস কাছে হওয়ায় কেরল, হরিয়ানা উত্তরপ্রদেশ-সহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পড়ুয়ারা সেখানে পেইং গেস্ট হিসেবে ভাড়া থাকতেন। মৃতদের মধ্যে যুবরাজ নামে এক ছাত্রের পরিচয় জানা গিয়ছে। এছাড়াও এক শ্রমিকের মৃত্যু হয়েছে। বাকিদের পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে। আহতদের দিল্লি এইমসের ট্রমা কেয়ারে ভর্তি করা হয়েছে।
আরও পড়ুন: দিল্লিতে বহুতল ভবন ভেঙে বিপর্যয়, ধ্বংসস্তূপে বহু মানুষের আটকে থাকার আশঙ্কা, মৃত ১
স্থানীয়দের দাবি, প্রায় ৫০ বছরের পুরনো বাড়িটি (Delhi old house Collapsed) দীর্ঘদিন ধরেই জরাজীর্ণ অবস্থায় পড়েছিল। বাড়ির মালিক হরিরাম বনসল প্রায় ২০ বছর আগে গুরুগ্রামে চলে যান। সম্প্রতি বাড়িটি সংস্কার করে পড়ুয়াদের ভাড়া দেওয়া হয়। সংস্কারের কাজ সম্পূর্ণ হওয়ার আগেই সেখানে আবাসিকদের থাকতে দেওয়া হয়েছিল বলে অভিযোগ। বেসমেন্টেও সংস্কারের কাজ চলছিল।
প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, বাড়িটি নির্মাণে একাধিক অনিয়ম ছিল (Delhi old house Collapsed)। দিল্লি পুরসভার দাবি, বাড়িটির মাত্র দু’তলা নির্মাণের অনুমোদন ছিল। বাকি চারটি তলা পুরসভার অনুমতি ছাড়াই তৈরি করা হয়েছিল। পাশাপাশি, আবাসিক ভবনটিকে বাণিজ্যিক উদ্দেশে ব্যবহার করা হচ্ছিল বলেও অভিযোগ।
আরও পড়ুন: ৩৮ হাজার ৬০০ কোটি টাকার হিসাব জানিয়ে রাষ্ট্রসঙ্ঘে চিঠি নেপালের
পুরসভার এক আধিকারিক জানিয়েছেন, টানা দু’দিনের বৃষ্টিতে এলাকায় জল জমে যায়। বাড়িটির বেসমেন্টেও জল ঢুকে পড়েছিল। সেই অবস্থাতেই সেখানে কাজ চলছিল। প্রাথমিকভাবে মনে করা হচ্ছে, জল জমে বেসমেন্টের পিলার দুর্বল হয়ে পড়ায় বাড়িচি ধসে যেতে পারে।
ঘটনার পর বাড়ির মালিকের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করা হয়েছে। কর্তৃপক্ষ ম্যাজিস্ট্রেট পর্যায়ের তদন্তের নির্দেশ দিয়েছে। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, মালিকে অবহেলা ও বেআইনি নির্মাণের কারণেই এই ভয়াবহ দুর্ঘটনা ঘটেছে (Delhi old house Collapsed )। ভবনটির পাশের একটি মেয়েদের হস্টেল থেকেও নিরাপত্তার স্বার্থে আবাসিকদের সরিয়ে নেওয়া হয়েছে।
দেখুন:




