• facebook
  • twitter
  • youtube
Wednesday, 2 September, 2026

সন্তানেরা স্কুল থেকে বেরোলেই অভিভাবকের ফোনে অ্যালার্ট, ক্লিক করলেই চোখের সামনে সন্তানের গতিবিধি

ডিজিটাল স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় প্রত্যেক পড়ুয়াকে একটি ডিজিটাল স্মার্ট আইকার্ড দেওয়া হবে। সেই কার্ড স্কুলে ঢোকা ও বেরোনোর সময় স্ক্যান করলে অভিভাবকদের মোবাইল ফোনে নোটিফিকেশন চলে যাবে।

সন্তানেরা স্কুল থেকে বেরোলেই অভিভাবকের ফোনে অ্যালার্ট, ক্লিক করলেই চোখের সামনে সন্তানের গতিবিধি

File Photo

বর্তমান সময়ে শিক্ষাব্যবস্থাকে আরও উন্নত করতে প্রযুক্তিকে বিভিন্নভাবে কাজে লাগানো হচ্ছে। কয়েক বছর আগেও পড়াশোনার যে ধরন ছিল, তা এখনকার থেকে অনেকটা আলাদা। সময়ের সঙ্গে তাল মিলিয়ে পড়ুয়াদের পড়াশোনার কাজেও এখন কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই-কে কাজে লাগানো হচ্ছে। এবার পড়ুয়াদের সুরক্ষার্থে ডিজিটাল স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম ও পেরেন্ট কমিউনিকেশন সিস্টেম চালু করল নদীয়ার এক প্রাথমিক বিদ্যালয়।

এবার বাড়িতে বসেই অভিভাবকরা জানতে পারবেন, তাঁদের সন্তানরা ঠিকমতো স্কুলে পৌঁছছেন কি না। এমনকী পড়ুয়ারা কখন স্কুলে ঢুকছে এবং বেরোচ্ছে তাও জানতে পারবে অভিভাবকরা। স্কুল ও অভিভাবকদের মধ্যেকার সম্পর্ক নিবিড় করতে বিশেষ পেরেন্ট অ্যাপ চালু করা হল। নদীয়ার শান্তিপুরের কানাইবঙ্গ স্মৃতি প্রাথমিক বিদ্যালয় এই অ্যাপ চালু করেছে।

কী কাজ করবে এই সিস্টেম? ডিজিটাল স্কুল ম্যানেজমেন্ট সিস্টেমের আওতায় প্রত্যেক পড়ুয়াকে একটি ডিজিটাল স্মার্ট আইকার্ড দেওয়া হবে। সেই কার্ড স্কুলে ঢোকা ও বেরোনোর সময় স্ক্যান করলে অভিভাবকদের মোবাইল ফোনে নোটিফিকেশন চলে যাবে। অভিভাবকরা সঙ্গে সঙ্গেই জানতে পারবেন তাঁদের সন্তানরা কখন স্কুলে ঢুকছে ও বেরোচ্ছে।

এ বিষয়ে ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক প্রতিম সেন বলেন, ‘আমরা নানা ধরনের কাজের মধ্যে দিয়ে পড়ুয়াদের সার্বিক মানোন্নয়নের চেষ্টা করি। প্রযুক্তি বর্তমানে আমাদের জীবনে একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হয়ে উঠেছে। সেই কারণে ছাত্রছাত্রীদের কাছে প্রযুক্তিকে আরও আকর্ষণীয় করে তোলার পাশাপাশি তারা যাতে প্রযুক্তির সঠিক ব্যবহার করতে পারে সেই লক্ষ্যেই এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।’ তিনি আরও জানিয়েছেন, এই ডিজিটাল ব্যবস্থা চালু করার পিছনে পড়ুয়াদের নিরাপত্তা ও স্কুলের সঙ্গে অভিভাবকদের সম্পর্ক আরও দৃঢ় করাই মূল লক্ষ্য।

আরও পড়ুন: অভিষেকের ‘সেবাশ্রয়’-এর নামে মেডিক্যাল কলেজের কাঠামো! প্রশ্ন হাইকোর্টের

পড়ুয়াদের কথা মাথায় রেখে পরবর্তীকালে এই অ্যাপে আরও অনেক কিছু যুক্ত হতে চলেছে। এর মাধ্যমে অভিভাবকদের কাছে পড়ুয়াদের হোমওয়ার্ক, নানা প্রোজেক্ট, অ্যাসাইনমেন্ট, ছোট পরীক্ষার তথ্য ও রিপোর্ট কার্ড পৌঁছে দেওয়ার পরিকল্পনা করা হচ্ছে। মোবাইল ও ডিজিটাল প্রযুক্তির মাধ্যমে পড়াশোনার নানা বিষয়ও চালু করা হবে বলে জানিয়েছে ওই বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।