• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 1 September, 2026

আফতাব কাণ্ডের পরে প্রেসিডেন্সি জেল পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

আজ মঙ্গলবার, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুপুর সোয়া ২টো নাগাদ জেলে ঢোকেন তিনি। মার্কিন তথ্যকেন্দ্রে

আফতাব কাণ্ডের পরে প্রেসিডেন্সি জেল পরিদর্শনে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

PIC- SNS

আজ মঙ্গলবার, প্রেসিডেন্সি সংশোধনাগারে পৌঁছলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুপুর সোয়া ২টো নাগাদ জেলে ঢোকেন তিনি। মার্কিন তথ্যকেন্দ্রে হামলার ঘটনায় যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের সাজাপ্রাপ্ত আফতাব আনসারির সেল থেকে আইফোন-সহ একাধিক স্মার্টফোন, রাউটার এবং যোগাযোগের বিভিন্ন বৈদ্যুতিন যন্ত্র উদ্ধারের পরই মুখ্যমন্ত্রীর এই আকস্মিক জেল পরিদর্শন।
জেলে ঢুকে ঋষি অরবিন্দের আবক্ষ মূর্তিতে প্রণাম করেন মুখ্যমন্ত্রী। এরপর ঘুরে দেখেন ঋষি অরবিন্দ সেল, যে সেলে একসময় বন্দি ছিলেন অরবিন্দ। একটি ওয়ার্ডের বাইরে দাঁড়িয়ে বন্দিদের সঙ্গেও কথা বলেন তিনি। তাঁদের বিভিন্ন সুবিধা-অসুবিধার কথা জানতে চান।

এর পর জেলের ভিতরে বন্দিদের কর্মশালা ঘুরে দেখেন মুখ্যমন্ত্রী। সেখানে বন্দিরা জামাকাপড়-সহ বিভিন্ন সামগ্রী তৈরি করেন। জেলের ভিতরের মন্দিরেও পুজো দেন তিনি।

বিজেপি সরকার ক্ষমতায় আসার পর গত ১৬ মে কারা দফতরের একাংশের কর্মীর সঙ্গে অপরাধীদের আঁতাত নিয়ে সতর্ক করেছিলেন শুভেন্দু। জেলের ভিতরে ‘ঘুঘুর বাসা’ ভাঙার কথাও বলেছিলেন তিনি। এরপর প্রেসিডেন্সি জেলে তল্লাশি চালিয়ে ২৩টি মোবাইল উদ্ধার করা হয়। সাসপেন্ড করা হয় দুই কারা আধিকারিককে।এর পর থেকেই সংশোধনাগারগুলিতে নিয়মিত
তল্লাশি চালাচ্ছে কারা দফতর। জেলের ভিতরে যাতে অবৈধ ভাবে মোবাইল ফোন বা মাদক-সহ নিষিদ্ধ সামগ্রী ঢুকতে না পারে, তার জন্য নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

এর মধ্যেই আফতাব আনসারির সেল থেকে মোবাইল, নগদ টাকা এবং একাধিক অত্যাধুনিক যোগাযোগের যন্ত্র উদ্ধারের ঘটনায় নতুন করে প্রশ্ন উঠেছে। জেলের ভিতরে নিষিদ্ধ সামগ্রী পৌঁছনোর ক্ষেত্রে কোনও কারা-কর্মী বা আধিকারিকের ভূমিকা ছিল কি না, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

ঘটনার তদন্তভার সোমবার কলকাতা পুলিশের এসটিএফের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে। তার পরের দিনই মুখ্যমন্ত্রীর আচমকা প্রেসিডেন্সি জেল পরিদর্শন যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে। জেলের ভিতর থেকে অপরাধচক্র পরিচালনার অভিযোগে প্রশাসন যে কঠোর অবস্থান নিচ্ছে, এই পরিদর্শনে সেই বার্তাই স্পষ্ট বলে মনে করা হচ্ছে।