• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 23 August, 2026

টাকা দিলেই ফায়ার সার্টিফিকেট! নিউ মার্কেটের বেআইনি হোটেল নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

টাকা দিলেই মিলত ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেট। অভিযোগ, দেড় থেকে দু’লক্ষ টাকা দিলেই তিন বছরের জন্য সার্টিফিকেট, সঙ্গে আরও ৫০ হাজার টাকা দিলে মিলত

টাকা দিলেই ফায়ার সার্টিফিকেট! নিউ মার্কেটের বেআইনি হোটেল নিয়ে বিস্ফোরক অভিযোগ

pic- sns

টাকা দিলেই মিলত ফায়ার সেফটি সার্টিফিকেট। অভিযোগ, দেড় থেকে দু’লক্ষ টাকা দিলেই তিন বছরের জন্য সার্টিফিকেট, সঙ্গে আরও ৫০ হাজার টাকা দিলে মিলত ফায়ার লাইসেন্স।

দমকলের প্রাক্তন স্টেশন অফিসারকে লাখ টাকা দিয়ে ঘুপচি ঘরে হোটেল খুলে পুরসভার ট্রেড লাইসেন্স এবং বিদ্যুৎ সংযোগও মিলেছে, এমনই বিস্ফোরক অভিযোগ উঠে এসেছে নিউ মার্কেটের বেআইনি হোটেলগুলির মালিকদের জিজ্ঞাসাবাদে।

‘শিখা ইন’ হোটেলে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডের পর তদন্তে নেমে এই তথ্য পেয়েছে পুলিশ ও তদন্তকারী দল। অভিযোগের তির এবার দমকল ও পুরসভার সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দিকেও।

ইতিমধ্যেই জানা গিয়েছে, নিউ মার্কেট এলাকায় ফায়ার সেফটি না থাকায় আগামী কয়েক দিনে ৬০-৭০টি বেআইনি হোটেল বন্ধ হতে পারে। দমকলের সদর দপ্তরের ফায়ার সেফটি ও ফায়ার লাইসেন্স বিভাগের আধিকারিকরাও তদন্তকারীদের নজরে।

২০০৩ সালে বামফ্রন্ট আমলে দমকলকর্মীর অভাব মেটাতে ফায়ার সেফটি ও লাইসেন্স দেওয়ার কাজে বেসরকারি সংস্থাকে নজরদারির দায়িত্ব দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছিল। টেন্ডারও হয়েছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত তা কার্যকর হয়নি। দমকলের প্রাক্তন অধিকর্তা বিভাস গুহর দাবি, সেই সিদ্ধান্ত কার্যকর হলে অগ্নিকাণ্ড ৩০-৪০ শতাংশ কমতে পারত।

পরবর্তীতে অনলাইনে আবেদন ও সেলফ ডিকলারেশন ব্যবস্থা চালু হলেও সার্টিফিকেট দেওয়ার ক্ষমতা চলে যায় স্টেশন অফিসার ও ডিরেক্টরদের হাতে।

অভিযোগ, সেই সুযোগেই নগদ টাকা নিয়ে পরপর সার্টিফিকেট দেওয়া হয়েছে। এক সিনিয়র দমকল আধিকারিকের দাবি, ‘স্টেশন অফিসার পদে পোস্টিং পেয়েই অনেকে তিন মাসের মধ্যে নতুন গাড়ি কিনেছেন। এখন তদন্তে নাম আসায় জেলে যাওয়ার ভয় রয়েছে অনেকের মধ্যেই।’