• facebook
  • twitter
  • youtube
Sunday, 16 August, 2026

ফের আইনি গেরোয় অভিযুক্ত ব্যবসায়ী, উঠল কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

অভিযোগ, কাজ শেষ হওয়ার পর অভিযুক্তরা চুক্তি অনুযায়ী কাজ করেননি। তাঁরা নামমাত্র অর্থ দিয়ে অভিযোগকারীকে চলে যেতে বলেন। এমনকী চুক্তির শর্তাবলীও অস্বীকার করেন।

ফের আইনি গেরোয় অভিযুক্ত ব্যবসায়ী, উঠল কোটি টাকার দুর্নীতির অভিযোগ

File Photo

ফের আইনি জালে জড়ালেন অভিযুক্ত ব্যবসায়ী জয় কামাদার। লাভের অংশীদারিত্বের প্রলোভন দেখিয়ে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগে জয় কামদারের বিরুদ্ধে একটি নতুন এফআইআর (FIR) দায়ের করা হয়েছে। তবে শুধু জয় কামদারই নয়, একই অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁর ভাই তুষার কামদারের বিরুদ্ধেও কসবা থানায় অভিযোগ দায়ের হয়েছে।

জানা গিয়েছে, জয় ও তুষার কামদার কলকাতার অশ্বিনী দত্ত রোডের বাসিন্দা। তাঁদের কোম্পানির বিরুদ্ধে এই অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। জয় সম্প্রতি একটি জমি সংক্রান্ত জালিয়াতির মামলায় ‘অ্যাপ্রুভার’ (সরকারি সাক্ষী) হওয়ার জন্য আদালতের দ্বারস্থ হয়েছিলেন। এরই মধ্যে, নতুন একটি মামলা দায়ের হওয়ায় অভিযুক্ত এই ব্যবসায়ী ফের আইনি জটিলতায় জড়িয়ে পড়লেন।

এর আগে অভিযুক্ত পুলিশ আধিকারিক শান্তনু সিনহার ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে জয় কামদারের নাম উঠে এসেছিল। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছিল, অভিযুক্ত জয় ও তুষার কামদার অপরাধমূলক ষড়যন্ত্রের সঙ্গে জড়িত। অভিযোগকারীর দাবি, একটি নির্দিষ্ট সম্পত্তি হস্তান্তরে সহায়তা করলে তাঁকে মোট লাভের ২৫ শতাংশ দেওয়ার প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছিল।

সেই অনুযায়ী, অভিযোগকারী নেপাল ভট্টাচার্য স্ট্রিটে অবস্থিত একটি মূল্যবান জমিতে আবাসন প্রকল্প গড়ে তোলার ব্যবস্থা করেন এবং একটি আনুষ্ঠানিক চুক্তি স্বাক্ষরিত হয়। প্রকল্পের কাজ শুরু হয় এবং শেষ পর্যন্ত তা সম্পন্নও হয়। অভিযোগ, কাজ শেষ হওয়ার পর অভিযুক্তরা চুক্তি অনুযায়ী কাজ করেননি। তাঁরা নামমাত্র অর্থ দিয়ে অভিযোগকারীকে চলে যেতে বলেন। এমনকী চুক্তির শর্তাবলীও অস্বীকার করেন।

আরও পড়ুন: নদিয়ায় কংগ্রেস নেতা ও তাঁর ছেলেকে কুপিয়ে খুন, গ্রেপ্তার তৃণমূলের পঞ্চায়েত প্রধান-সহ ৩

অভিযোগকারীর দাবি, জয় ও তুষার প্রতারণা ও জালিয়াতির মাধ্যমে সম্পত্তিটি আত্মসাৎ করেছেন। এরপরেই অপরাধমূলক ষড়যন্ত্র ও প্রতারণার অভিযোগে মামলা দায়ের করা হয়। পুলিশ গোটা ঘটনার তদন্ত শুরু করেছে। উল্লেখ্য, জয় কামদার কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার কাছে ‘অ্যাপ্রুভার’ হওয়ার জন্য আবেদন জানিয়েছেন। মামলার শুনানির সময় তিনি আদালতে নিজের এই ইচ্ছার কথাও জানিয়েছিলেন। তবে এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট তাঁর আবেদন গ্রহণ করার পাশাপাশি আদালত তাতে অনুমোদন দেবে কি না, তা এখনও বিবেচনাধীন।