দেশের জিডিপির তুলনায় কত শতাংশ জনপ্রতিনিধি শিক্ষাগত যোগ্যতার নিরিখে দেশ ও রাজ্য শাসনে সক্রিয় ভূমিকা পালন করছেন? সম্প্রতি এক বেসরকারি সংস্থার তত্ত্বাবধানে আয়োজিত ‘ডেমোক্রেটিক ইন্ডিয়া ও প্রণামটিভি ভারত মিডিয়া কনক্লেভ’-এ এই প্রশ্নই উঠে এল।
‘আদি শঙ্কর, চাণক্য থেকে স্বামী বিবেকানন্দ—ভারত নির্মাণে এই তিন মহাজীবনের ভূমিকা’ এবং ‘শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভু থেকে স্বামী বিবেকানন্দ—এই দীর্ঘ সময়ে বাঙালি কী শিখল?’—এই দুই বিষয়কে কেন্দ্র করে আয়োজিত আলোচনায় বাংলা তথা ভারতের নিজস্ব সংস্কৃতি, ঐতিহ্য, মেধা ও আধ্যাত্মিকতার বিভিন্ন দিক উঠে আসে।
অনুষ্ঠানে আগামী দিনের ভারত এবং স্বামী বিবেকানন্দের স্বপ্নের ভারত বিশ্বগুরুর ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে কি না, তা নিয়েও জোরালো আলোচনা হয়। যে বেসরকারি সংস্থার উদ্যোগে এই অনুষ্ঠান আয়োজিত হয়েছিল, তারা দীর্ঘদিন ধরেই নারীদের উন্নয়ন নিয়ে কাজ করে আসছে। তাদের ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই আলোচনা সভায় সমাজে সংবাদমাধ্যমের ভূমিকা ও দায়িত্ব নিয়েও গুরুত্বপূর্ণ মতামত উঠে আসে, যা সাধারণ মানুষের মনেও দাগ কাটে।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন স্বামী জ্ঞানালোকানন্দ। আলোচনায় অংশ নেন হিরন্ময় প্রভু, ড. লক্ষ্মীনারায়ণ সতপতি, ড. সৌরভ হালদার, বিশিষ্ট চিকিৎসক সন্দীপ সেনগুপ্ত, পদ্মশ্রী ড. নারায়ণ চক্রবর্তী, স্বামী ব্রহ্মবিদ্যানন্দ ব্রহ্মচারী, লেখক প্রসূন রায়-সহ একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তিত্ব।




