• facebook
  • twitter
  • youtube
Tuesday, 4 August, 2026

ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে উঠে এল নতুন তথ্য, রেকি করা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি

রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব ছিল হামিমের

ধৃত হামিমকে ঘিরে তদন্তে উঠে এল নতুন তথ্য, রেকি করা হয়েছিল মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ি

image: IANS

জঙ্গিযোগের অভিযোগে গ্রেপ্তার হামিম মণ্ডলকে (Hamim Mondal) জিজ্ঞাসাবাদ করে একাধিক তথ্য  তদন্তকারীদের হাতে এসেছে। প্রাথমিক তদন্তেই জানা গিয়েছিল, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী-সহ কয়েকজন গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রী ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের গতিবিধির উপর নজর রাখার দায়িত্ব ছিল হামিমের (Hamim Mondal) । তদন্তে উঠে এসেছে, নির্দেশ মেনে হামিম (Hamim Mondal) একাধিকবার চিনার পার্কে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দুর বাড়ির আশেপাশে গিয়ে রেকি করেছিলেন।

গত সপ্তাহে বর্ধমান থেকে হামিমকে (Hamim Mondal) গ্রেপ্তার করে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (STF)। তদন্তকারী সংস্থার সূত্রে খবর, মুখ্যমন্ত্রীর বাড়ির সামনে ছবি তোলার পরিকল্পনা ছিল হামিমের (Hamim Mondal) । তবে চারপাশে সিসিটিভি ক্যামেরার নজরদারি থাকায় ধরা পড়ার আশঙ্কায় ছবি তোলেননি। সূত্র মারফত খবর, জেরায় হামিম জানিয়েছিলেন, পাকিস্তানে থাকা হ্যান্ডলাররা নির্দেশ দিয়েছিল, কোনও ছবি বা ভিডিও তোলার সময় যেন সিসিটিভিতে ধরা না পড়ে।

আরও পড়ুন: কেন্দ্রীয় সরকারের ডাকে আজ দিল্লিতে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী

তদন্তকারীরা মোবাইল টাওয়ারের লোকেশন চিহ্নিত করে হামিমের (Hamim M0ndal) আগের গতিবিধিরও খোঁজ পান। সেই থেকেই তদন্তকারী আধিকারিকরা জানতে পারেন, হামিম (Hamim Mondal) একাধিকবার মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর বাড়ির সামনে গিয়েছিলেন। যদিও প্রথমে এই তথ্য অস্বীকার করেন হামিম, পরে জিজ্ঞাসাবাদের মুখে তিনি স্বীকার করেন যে শুধু বাড়ির আশেপাশেই নয়, মুখ্যমন্ত্রী যে সব রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করেন, সেগুলিও রেকি করা হয়েছিল।

আরও পড়ুন: গ্রেপ্তার টুলুর ম্যানেজার সীতেশের ডায়েরিতে অফিসারদের নাম,উদ্ধার জাল ডিসিআর ছাপার যন্ত্র

এই মামলায় হামিমের (Hamim M0ndal) পাশাপাশি তাঁর বান্ধবী অর্পিতা সরকার এবং আদিত্য সিং ওরফে রাজ নামের এক যুবককেও গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তদন্তকারীদের অভিযোগ, তাঁদের সঙ্গে পাকিস্তানের গুপ্তচর সংস্থা আইএসআই এবং পাকিস্তানি গ্যাস্টার শাহজাদ ভাট্টির চক্রের নিয়মিত যোগাযোগ ছিল। পশ্চিমবঙ্গে নাশকতার পরিকল্পনা করা হয়েছিল এবং টার্গেট ছিলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তদন্তে উঠে এসেছে, অর্পিতাকে ‘হানিট্র্যাপ’ হিসেবে ব্যবহার করা হতো। নেতা, মন্ত্রী ও আমলাদের সঙ্গে ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক গড়ে তুলে তাঁদের কাছ থেকে গুরুত্বপূর্ণ ও সংবেদনশীল তথ্য সংগ্রহের দায়িত্ব ছিল তাঁর।

ঘটনার পর মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। তদন্তকারীদের প্রাথমিক অনুমান, খুন ও নাশকতার মাধ্যমে রাজ্যে অস্থিরতা সৃষ্টি করাই ছিল এই চক্রের মূল উদ্দেশ্য। পাশাপাশি,হামিমের (Hamim M0ndal) বাইরে আরও ব্যক্তিদের নিয়ে পশ্চিমবঙ্গে সমান্তরাল নেটওয়ার্ক গড়ে তোলার চেষ্টা হয়ে থাকতে পারে বলে আশঙ্কা করছেন গোয়েন্দারা।

https://youtube.com/shorts/mtcyMaY8Fvc?si=3UQibGyVbksaw6fJ