‘জনগণনা ২০২৭’-এর প্রথম ধাপ অর্থাৎ অনলাইন স্ব-গণনা প্রক্রিয়ার সূচনা হল শিলিগুড়িতে। শনিবার নিজ বাসভবনে শিলিগুড়ি পুরনিগমের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে মোবাইল ফোনের মাধ্যমে ফর্ম পূরণ করে এই কর্মসূচির সূচনা করেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী শঙ্কর ঘোষ।
এদিন সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে নিজের অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী। শঙ্কর ঘোষ বলেন, ‘ওয়েবসাইটে সাধারণ তথ্যগুলি চাওয়া হয়েছে। ওটিপিটা দরকার পড়লে হেড অফ দ্য ফ্যামিলির মোবাইল নম্বর ব্যবহার করে দুবার ওটিপি জেনারেট করে ভেরিফাই করিয়ে নেওয়া যায়। পুরো ফর্মটা খুবই সাধারণ।’ তিনি আরও যোগ করে বলেন, ‘se.census.gov.in ওয়েবসাইটে গিয়ে ৩-৪ মিনিটের মধ্যেই দ্রুততার সঙ্গে ফ্যামিলির তথ্য দিয়ে দেওয়া সম্ভব। কেবল ম্যাপে লঙ্গিচিউড-ল্যাটিচিউডের পয়েন্টারটা টেনে ঠিক জায়গায় নিয়ে আসতে হয়।’
তরুণ প্রজন্মের উদ্দেশ্যে তিনি আহ্বান জানিয়ে বলেন, ‘শহর এবং গ্রামাঞ্চলে ছাত্র-যুবদের কাছে আমি আবেদন করব যাতে তাঁরা নিজেরা সেন্সাস ফর্ম ফিলাপ করেন।’ এর পাশাপাশি প্রতিবেশীদেরকেও সহযোগিতা করুন। সেই সঙ্গে ই-এনিউমারেশন দ্রুত করতে কর্পোরেশন ও স্বেচ্ছাসেবক সংগঠনগুলোকে যুক্ত করার পরামর্শ দিয়ে তিনি জানান, প্রয়োজনে ক্যাম্প করার মতো পদক্ষেপও নেওয়া হতে পারে।
সেই সঙ্গে রাজ্যে আইএসআই জঙ্গি সন্দেহে হামিম মণ্ডলের গ্রেপ্তারির প্রসঙ্গে রাজ্যের রাজনৈতিক পরিস্থিতি নিয়ে এদিন তিনি তোপ দাগেন। রাজ্যের পর্যটনমন্ত্রী সরাসরি অভিযোগ করে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে স্লিপার সেল বা এই সন্ত্রাসবাদী কার্যকলাপে যুক্ত বিভিন্ন লোকের আশ্রয়স্থল হয়ে উঠছিল পশ্চিমবঙ্গ। তাঁদের কাছে স্বর্গরাজ্য হয়ে উঠছিল।’ ছদ্ম-ধর্মনিরপেক্ষতার সমালোচনা করে তিনি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, ‘ঐ তথাকথিত বা সিউডো-সেক্যুলারিজমের আড়ালে যারা এতদিন ধরে মৌলবাদকে সমর্থন জুগিয়েছেন, আজকে আমার মনে হয় তাদের গালে বড় একটা বিরাট শিক্ষণীয় থাপ্পড় পড়েছে।’
আরও পড়ুন: বাগডোগরা বিমানবন্দরের কাছে এইমস গড়ে তোলার ঘোষণা প্রতিমন্ত্রী আনন্দময় বর্মনের
মুখ্যমন্ত্রীকে ঘিরে সংবেদনশীল নিরাপত্তার বিষয় এবং মতপ্রকাশের স্বাধীনতার নামে অশ্লীলতা ছড়ানোর কঠোর প্রতিবাদ জানিয়ে তিনি এই মৌলবাদী প্রবণতার বিরুদ্ধে কড়া অবস্থান বজায় রাখার বার্তা দেন।




