• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 23 July, 2026

সবচেয়ে অপছন্দের দল? আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে নির্বাসনের ‘দাবি’ প্রায় গিনেস রেকর্ড ছোঁয়ার পথে

সমর্থকদের একাংশের দাবি, টুর্নামেন্টের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রেফারিং ও ভিএআর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনা অন্যায্য সুবিধা পেয়েছে

সবচেয়ে অপছন্দের দল? আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে নির্বাসনের ‘দাবি’ প্রায় গিনেস রেকর্ড ছোঁয়ার পথে

Petition To Ban Argentina Photo-SNS

বিশ্বকাপ ফুটবল শেষ হলেও আর্জেন্টিনাকে ঘিরে বিতর্ক থামছে না। এবার বিশ্ব ফুটবলে আলোড়ন ফেলেছে একটি অনলাইন আবেদন, যেখানে ভবিষ্যতে বিশ্বকাপ থেকে আর্জেন্টিনাকে নিষিদ্ধ করার দাবি জানানো হয়েছে। অবাক করার বিষয়, এই দাবিতে আবেদনকারীর সংখ্যা প্রায় গিনেস রেকর্ড ছুঁয়ে ফেলেছে।

বিশ্বকাপ চলাকালীনই আর্জেন্টিনাকে নিয়ে পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ উঠেছিল। বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর আর্জেন্টিনা সম্ভবত টুর্নামেন্টের ইতিহাসে অংশ নেওয়া সবচেয়ে ‘ঘৃণিত’ দলে পরিণত হয়েছিল। ফাইনালের পরে লিয়ান্দ্রো পারেদেসের একাধিক কাণ্ড, যার মধ্যে স্পেনের ডিফেন্ডার এরিক গার্সিয়াকে ঘুষি মারা এবং গাভিকে মাটিতে ফেলে দেওয়া উল্লেখযোগ্য, সেগুলি আর্জেন্টিনাকে কার্যত সবার চোখে খলনায়কে পরিণত করে।

ম্যাচ চলাকালীন এনজো ফার্নান্দেজ পাউ কুবারসির ওপর কঠোর ট্যাকলের জন্য লাল কার্ড দেখেন। অনেকের মতে, সেই ঘটনাই শেষ পর্যন্ত লা আলবিসেলেস্তে-র পরাজয়ের অন্যতম প্রধান কারণ হয়ে দাঁড়ায়। সমর্থকদের একাংশের দাবি, টুর্নামেন্টের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ম্যাচে রেফারিং ও ভিএআর সিদ্ধান্তে আর্জেন্টিনা অন্যায্য সুবিধা পেয়েছে। সেই ক্ষোভ থেকেই শুরু হয় এই অনলাইন পিটিশন, যেখানে ফিফার কাছে আর্জেন্টিনাকে বিশ্বকাপ থেকে সাময়িকভাবে নির্বাসিত করার আবেদন জানানো হয়।

এই আবেদনে ২ কোটি ৩০ লক্ষেরও বেশি মানুষ সই করেছেন। এই বিপুল সমর্থনের ফলে এটি বিশ্বের সর্বাধিক স্বাক্ষর-যুক্ত অনলাইন পিটিশনগুলির অন্যতম হয়ে উঠেছে এবং গিনেস ওয়ার্ল্ড রেকর্ড ছোঁয়ার খুব কাছাকাছি পৌঁছে গিয়েছে।

পিটিশনে দাবি করা হয়েছে, আর্জেন্টিনার ম্যাচগুলিতে রেফারিং, ভিএআর ব্যবহারের ধরন এবং কিছু বিতর্কিত ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত হওয়া উচিত এবং তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই দলকে ফিফার প্রতিযোগিতা থেকে সাময়িকভাবে নির্বাসনে পাঠানোর আর্জিও জানানো হয়েছে।

তবে এই পিটিশনের কোনও আইনি অবস্থান নেই। ফিফাও এখনও পর্যন্ত এ বিষয়ে কোনো মন্তব্যও করেনি বা আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে কোনো পদক্ষেপের ইঙ্গিতও দেয়নি। ফলে আপাতত এটিকে সমর্থকদের প্রতিবাদের প্রতীক হিসেবেই দেখা হচ্ছে। বাস্তবে এর ভিত্তিতে আর্জেন্টিনার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার সম্ভাবনা কম।