• facebook
  • twitter
  • youtube
Thursday, 23 July, 2026

পিছিয়ে গেল সুজিত বসুর জামিন মামলার শুনানি

আজ বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে পিছিয়ে গেল মন্ত্রী সুজিত বসুর জামিন মামলার শুনানি। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে ছিল এই মামলা।

পিছিয়ে গেল সুজিত বসুর জামিন মামলার শুনানি

আজ বৃহস্পতিবার কলকাতা হাইকোর্টে পিছিয়ে গেল মন্ত্রী সুজিত বসুর জামিন মামলার শুনানি। বিচারপতি শুভ্রা ঘোষের এজলাসে ছিল এই মামলা। এই মামলায় ইডির বক্তব্য শুনতে চেয়েছেন বিচারপতি। আগামী ৩ আগস্ট এই মামলার পরবর্তী শুনানি হবে। সেখানে ইডির বক্তব্য শুনেই সিদ্ধান্ত জানাবেন বিচারপতি। ততদিন জেলেই থাকতে হবে রাজ্যের প্রাক্তন এই মন্ত্রীকে।

এই মামলার মন্ত্রীর আইনজীবী অভিষেক মনু সিংভি কড়া সওয়াল করেছিলেন আদালতে। বিচারপতির সামনে সরাসরি জানান, এই মামলার প্রথম ২টি চার্জশিটে সুজিত বসুর নাম ছিল না। তৃতীয় চার্জশিটে তার নাম উঠে এসেছিল। তারপরেও পুরো তদন্তে ইডি আধিকারিকদের সহায়তা করা হয়েছে বলেও আইনজীবী মারফত জানিয়েছেন মন্ত্রী। আরও জানান সিবিআইয়ের তরফে এই মামলার অতিরিক্ত চার্জশিট দেওয়া হয়েছে। কিন্তু তাতেও মন্ত্রীর নাম নেই। এমনকি সুজিত বসুর থেকে একটি পেনও উদ্ধার করতে পারেনি ইডি। এমনকি টাকা নেওয়ার কোনো প্রমাণও আদালতে তদন্তকারীরা পেশ করতে পারেননি বলেও জানিয়েছেন তিনি। আর সেই কারণেই জামিনের আবেদন করেন তিনি।

গত ১১ মে পুর নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল সুজিত বসুকে। নিয়োগ দুর্নীতি মামলাতে ইডি দপ্তরে ডেকে পাঠানো হয়েছিল তাঁকে। প্রায় সাড়ে ১০ ঘন্টা জিজ্ঞাসাবাদ করার পরে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়েছিল। তারপর থেকেই তার বাসস্থান প্রেসিডেন্সি জেল। যদিও আদালত ও জেল কতৃপক্ষের তরফে তাঁকে গ্রেড ১ বন্দির মর্যাদা দেওয়া হয়েছে। গ্রেড-১ বা প্রথম শ্রেণির বন্দি হিসেবে সুজিত বসু সাধারণ কয়েদিদের তুলনায় বেশ কিছু বাড়তি ও আরামদায়ক সুবিধা পান। জেলের সাধারণ সেলের পরিবর্তে তাঁকে দেওয়া হয়েছে একটি সম্পূর্ণ আলাদা সেল, যার সঙ্গে আছে অ্যাটাচড বাথরুমের সুবিধা।

এছাড়া সেলে তাঁর জন্য আছে আলাদা খাট, টেবিল ফ্যান এবং মশার উপদ্রব থেকে বাঁচতে মশারির ব্যবস্থা।সাধারণ বন্দিদের যেখানে নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিস পেতে সমস্যা হয়, সেখানে প্রথম শ্রেণির বন্দি হিসেবে সুজিত বসু টুথপেস্ট ও ব্রাশ ব্যবহারের অনুমতি পেয়েছেন। উল্লেখ্য, সাধারণ কয়েদিরা জেলের নিয়ম অনুযায়ী কেবল গুঁড়ো মাজন পেয়ে থাকেন। সবচেয়ে বড় সুবিধাটি হল খাবারের ক্ষেত্রে। সুজিত বসুকে লাইনে দাঁড়িয়ে খাবার সংগ্রহ করতে হবে না, দিনে তিনবার তাঁর সেলে সরাসরি খাবার পৌঁছে দেওয়া হয়, যা কার্যত হোম ডেলিভারির সমতুল্য। শারীরিক অসুস্থতার কারণে তাঁর ডায়েটের দিকেও বিশেষ নজর রাখা হয়।