• facebook
  • twitter
  • youtube
Saturday, 18 July, 2026

অভিষেকের আমতলার দপ্তরের শেড ভাঙল

আজ শনিবার সকাল সকাল যুদ্ধং দেহী মেজাজে রাজ্য সরকার। আজ সকালে সেখানে অভিযানে নেমেছে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ে

অভিষেকের আমতলার দপ্তরের শেড ভাঙল

অভিষেকের অফিস ভাঙল প্রশাসন-SNS

আজ শনিবার  যুদ্ধং দেহী মেজাজে রাজ্য সরকার। সকালে  আমতলায় অভিযানে নেমেছে পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী। সেখানে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বেআইনি কার্যালয়ের শেড ভেঙে দিল পুলিশ। সঙ্গে ছিল দমকল, বিডিও, বিএলআরও। অভিযোগ, পাঁচতলা ওই ভবনটি আইনি বিল্ডিং প্ল্যান ছাড়াই নির্মাণ করা হয়েছে। জানা গিয়েছে, আগেই সংশ্লিষ্ট পক্ষকে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। শুনানিতে কেউ না থাকায় প্রশাসন পদক্ষেপ নিয়েছে।

আজ শনিবার সকালে অভিষেকের অফিস ঘিরে ফেলেছিল বিশাল পুলিশ, কেন্দ্রীয় বাহিনী। তারপরে সেখানে যান বিডিও, বিএলআরও সহ প্রশাসনের একাধিক আধিকারিক। তারপরেই সেখানে যায় বুলডোজার। তার সাহায্যে কার্যালয়ের সামনে থাকা নীল শেডটি ভেঙে ফেলা হয়। প্রশাসনের তরফে তারপরেই অভিষেকের অফিসের সামনে থাকা নীল শেডটি ভেঙে ফেলা হয়। প্রশাসনের তরফে জানা গিয়েছে, প্রয়োজনীয় আইন মেনে পরের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। তা যে কী হবে , তা স্পষ্ট নয়।

গত ৩০ জন দক্ষিণ ২৪ পরগণা প্রশাসনের তরফে নোটিস দেওয়া হয়েছিল। সেটি দিয়েছিলেন অমিত বন্দ্যোপাধ্যায়, মোতি মল্লিক, সুশান্ত মণ্ডল নামে তিন জনকে ১৫ জুলালই দুপুর ২টো নাগাদ হাজির হতে বলা হয়েছিল। নোটিসে বলা হয়েছিল, সুশান্তের অভিযোগের ভিত্তিতে সকলকে তলব করা হয়েছে। সকল পক্ষকে নিজেদের দাবি বা অভিযোগের প্রয়োজনীয় প্রমাণ নিয়ে যেতে বলা হয়েছিল। অভিযোগ, নোটিস পেয়েও গত বুধবার কার্যালয়ের কতৃপক্ষের তরফে হাজিরা দেওয়া হয়নি। তারপরেও সক্রিয় হল প্রশাসন।

দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কোনও সভা করলে মূলত এখান থেকেই পুরোটা দেখভাল করা হতো তৃণমূলের তরফে। অভিষেকও কর্মীদের সঙ্গে মিটিং করতেন এই অফিস থেকেই। দক্ষিণ ২৪ পরগনায় কোনও সভা করলে মূলত এখান থেকেই পুরোটা দেখভাল করা হতো তৃণমূলের তরফে। অভিষেকও কর্মীদের সঙ্গে মিটিং করতেন এই অফিস থেকেই। এলাকার বিধায়ক যদিও স্পষ্টতই বলছেন, এই বিল্ডিংটা পুরোটাই অবৈধ জায়গায় হয়েছে। প্রশাসন এবার ব্যবস্থা নিচ্ছে। আগেই নোটিস দিয়েছিল। এখানে লাগানোও রয়েছে। জেলা শাসক, এসডিও, বিডিও সকলে সিদ্ধান্ত নিয়েছেন এই বিল্ডিং আর রাখার দরকার নেই। সেই অনুযায়ী কাজ হচ্ছে।

স্থানীয় বিজেপি বিধায়ক অগ্নিশ্বর নস্কর জানান, ‘অবৈধ জায়গার উপর কার্যালয়টি নির্মাণ হয়ে গিয়েছিল।  আদৌ হয়তো ওঁদের জায়গাই নয়। জবরদখল করে হয়তো কার্যালয় তৈরি হয়ে গেছে। তাই প্রশাসন আজকে ভেঙে ফেলার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।’